নারীরা স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ ও বিয়ে করলে বাধা দিতে পারবে না: এলাহাবাদ হাইকোর্ট

ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ছবি: সংগৃহীত
রোববার (২ আগস্ট) প্রকাশিত হিন্দুস্তান টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, দিব্যা ভাটিয়া ওরফে জোয়া দিয়া ভাটিয়া (২০) এবং অংশু ভাটিয়া ওরফে আমিনা অংশু ভাটিয়া (৩৫)-এর করা একটি হেবিয়াস কর্পাস আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি সন্দীপ জৈন এ পর্যবেক্ষণ দেন।
আবেদনে দুই বোন অভিযোগ করেন, তারা স্বেচ্ছায় হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ এবং নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তাদের বাবা বেআইনিভাবে আটকে রেখেছেন।আদালত বলেন, আবেদনকারী দুই নারীই প্রাপ্তবয়স্ক। তাই ধর্ম, বিয়ে, বসবাস ও ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ আইনগত অধিকার তাদের রয়েছে। আদালতের ভাষ্য, অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে বাবা বা অন্য কারও হস্তক্ষেপ সংবিধান-স্বীকৃত মর্যাদা, গোপনীয়তা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।আদালত বলেন, আবেদনকারী দুই নারীই প্রাপ্তবয়স্ক। তাই ধর্ম, বিয়ে, বসবাস ও ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ আইনগত অধিকার তাদের রয়েছে। আদালতের ভাষ্য, অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে বাবা বা অন্য কারও হস্তক্ষেপ সংবিধান-স্বীকৃত মর্যাদা, গোপনীয়তা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, আবেদনে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী দুই নারী স্বেচ্ছায় হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছেন এবং নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
এ ঘটনায় দুই নারীকে আগামী ৬ আগস্ট আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেদিন তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে আদালত নিশ্চিত হতে চান যে, তারা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বর্তমানে তাদের অবস্থান বা হেফাজত আইনসম্মত কি না।

