রড দিয়ে পিটিয়ে বিএনপিকর্মী হত্যা, মামলার আসামি জামায়াত নেতা ও তার ছেলে

নিহত রানা
এ ঘটনায় নিহতের ভাই মোফাজ্জল হোসেন আজ বুধবার সকালে বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রধান আসামি মো. মফিদুল ইসলাম মাস্টার (৫৫) ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এবং ৩নং আসামি মো. ফাহিম হাসান (২৫) তার ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত জাতীয় নির্বাচনের সময় জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে রানার পরিবারের বিরোধ দেখা দেয়। সোমবার তরল পানীয় খাওয়া নিয়ে দু’পক্ষের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এরই জেরে মঙ্গলবার বিকেলে মোফাজ্জলের সঙ্গে মফিদুল ও তার ছেলের কথা কাটাকাটি ও মারামারি শুরু হয়। ঝগড়া থামাতে রানা এগিয়ে গেলে মফিদুল ইসলাম তার বুকে লোহার রড ও শাবল দিয়ে সজোরে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলায় আরও ৫-৬ জন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন।
অপরদিকে, মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল আহসান এমরুল দাবি করেছেন, ঘটনাটি রাজনৈতিক নয়, বরং পারিবারিক বা গোষ্ঠীগত বিরোধের জেরে ঘটেছে।
আজ দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খোরশেদ আলম জানান, এরইমধ্যে এজাহারনামীয় ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

