ফিলিস্তিন সংকটে পাশ কাটানো মানেই যুদ্ধাপরাধে নীরব সায়: জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান
জাতিসংঘের মানবিক প্রধান টম ফ্লেচার জানান, গাজায় মানুষ ক্ষুধায় ধুঁকছে, শিশুদের অবস্থা ভয়াবহ, এবং ত্রাণ সংগ্রহে গিয়ে অনেকেই প্রাণ হারাচ্ছে। তিনি বলেন, ইসরায়েলের সামান্য সহায়তা প্রবেশ অনুমোদন যথেষ্ট নয়। জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ, নিরাপদ চলাচলপথ, জ্বালানি সরবরাহ ও যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।
গাজাকে তিনি অভিহিত করেন “একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত দুঃস্বপ্নময় অঞ্চল” হিসেবে, যেখানে শিশুরা না খেয়ে মারা যাচ্ছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সমর্থিত ত্রাণ বিতরণ ব্যবস্থারও কড়া সমালোচনা করেন।
টার্ক জানান, ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ২ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হয়েছে, ১,০০০ জন খাদ্য সংগ্রহে গিয়ে মারা গেছেন এবং ইসরায়েলি হামলায় ৩০০-র বেশি ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন।
তিনি বলেন, “গাজায় যেহেতু ইসরায়েলই অধিকৃত শক্তি, তাই খাদ্য ও জীবনরক্ষাকারী উপকরণ নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্ব।” পাশাপাশি তিনি পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের হত্যার, বসতি উচ্ছেদের ও পানি বন্ধের নিন্দা জানান।তিনি হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার নিন্দা করলেও ইসরায়েলের সামরিক প্রতিক্রিয়াকে মাত্রাতিরিক্ত ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে আখ্যায়িত করেন। যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা প্রতিরোধে তিনি পূর্বের মতই সতর্ক করেন।
সমাপ্তিতে তিনি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, সব জিম্মি ও আটক ব্যক্তিদের মুক্তি, এবং যেখানেই ফিলিস্তিনিরা থাকুক সেখানে ত্বরিত ও ব্যাপক মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি জানান, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রগঠনে আইনের শাসন ও মানবাধিকারভিত্তিক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

