মানবপাচার প্রতিরোধে যা বলছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন

প্রান্তডেস্ক:মানবপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি করলেও অভ্যন্তরীণ মানবপাচার মোকাবিলায় পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে পারেনি এবং দোষী পাচারকারীদের বিরুদ্ধে দণ্ডের সংখ্যা কমেছে-এমন মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
৮ অক্টোবর প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ ট্রাফিকিং ইন পারসনস ( টিআইপি) রিপোর্টে বলা হয়েছে, মানবপাচার নির্মূলের ন্যূনতম মানদণ্ড বাংলাদেশ পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি।
তবে প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনও ন্যূনতম মান পূরণ করতে পারেনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অভিবাসী কর্মীদের কাছ থেকে নিয়োগ ফি নেওয়ার প্রথা অব্যাহত থাকায় অনেক কর্মী ঋণের ফাঁদে পড়ছেন, যা তাদের মানবপাচারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমাস টমি পিগট বলেন, মানবপাচার স্বাধীনতা ও মর্যাদার মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত। ২০২৬ সালের ট্রাফিকিং ইন পারসনস রিপোর্টে আর্থিক লাভের জন্য অপরাধী সংগঠন ও দমনমূলক সরকারগুলো কীভাবে এই অপরাধকে ব্যবহার করছে তা তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, যারা পাচারকারীদের শাস্তি দিতে এবং নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিবেদনটি। ট্রাম্প প্রশাসন মানবপাচারকারী ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং বিচারের মুখোমুখি করতে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করবে।

