২০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বিটিটিএফ

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিটিটিএফ ২০২৬ মেলার বিস্তারিত জানান টোয়াব প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হানিফ। তিনি বলেন, মেলায় ২০০-রও বেশি বুথ ও স্টল, ২২০+ একজিবিটর, ২৫০+ কোয়ালিফাইড বায়ার, ২,৫০০+ ট্রেড ভিজিটর ও ৬০ হাজারেরও বেশি দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করবে। একইসাথে, চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টিরও বেশি এয়ারলাইন্স, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর অংশ নিবে।
মেলায় সার্বিক সহযোগিতা করছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। এছাড়াও, মেলাটি সফলভাবে পরিচালনা করতে এর প্লাটিনাম হসপিটালিটি পার্টনার হিসেবে থাকছে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট, পিআর পার্টনার হিসেবে ওপাস কমিউনিকেশনস লিমিটেড, টেকনোলোজি পার্টনার হিসেবে এম৩৬০ আইসিটি এবং ট্রান্সপোর্ট পার্টনার হিসেবে থাকছে কনভয় সার্ভিস।
২০টিরও বেশি দেশের পর্যটন বিষয়ক প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সি এ বছরের মেলায় অংশগ্রহণ করবে। নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইনের অংশগ্রহণকারীরা ইতোমধ্যে মেলায় তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। একইসাথে তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান থেকে অংশীজনরা অংশগ্রহণ করবে। মেলায় আন্তর্জাতিক পর্যটন অংশীদারদের অংশগ্রহণ ডেস্টিনেশন প্রমোশন, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ববাজারের মধ্যে ট্যুরিজম অংশীদারিত্বের আওতা বাড়বে।
আয়োজকরা জানান, ১৩ বারেরও বেশি সফল আয়োজনের মাধ্যমে বিটিটিএফ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পর্যটন বাজারে পরিণত হয়েছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের একসাথে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির পাশাপাশি, বিটিটিএফ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে সহযোগিতা করছে। বিটিটিএফ ২০২৬ বৈশ্বিক পর্যটনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক্সিবিশন, বিজনেস-টু-বিজনেস নেটওয়ার্কিং, ডেস্টিনেশন প্রমোশন ও অংশীদারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এই মেলার মূল উদ্দেশ্য।

