ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুখোমুখি এনসিপি ও কওমি ছাত্ররা
ছবি : সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাংগঠনিক সভা ও কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদের পাল্টা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলা শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে কোনো পক্ষকেই কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেয়নি জেলা প্রশাসন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল চারটায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সাংগঠনিক সমন্বয় সভার ডাক দিয়েছিল এনসিপি। এতে কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। অন্যদিকে, একই স্থানে বিকেল তিনটায় পাল্টা ‘ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’ করার ঘোষণা দেয় কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জ নিয়ে একটি বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্যের প্রতিবাদে এবং ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদ। তাদের দাবি, হাসনাত আব্দুল্লাহকে সংসদে ও লাইভে এসে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ জানান, তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি নির্ধারিত সময়েই পালন করার বিষয়ে তারা অনড় ছিলেন। তবে কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতা আব্দুল খালেক বলেন, দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা একই স্থানে সাংস্কৃতিক কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ জানান, এনসিপি শিল্পকলা একাডেমি ব্যবহারের আবেদন করলেও রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে তা বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদ কোনো আবেদনই করেনি। জননিরাপত্তার স্বার্থে ওই স্থানে কোনো কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন।


