আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল ‘সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’
প্রান্তডেস্ক:সিলেট নগরীর পরিকল্পিত, সমন্বিত ও টেকসই উন্নয়নের প্রত্যাশায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত নগরায়ণ, সমন্বয়হীন উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নসহ স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে নতুন এই কর্তৃপক্ষ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিলেটের বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘সরকারি উন্নয়নকাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলে উন্নয়নকাজই অনেক সময় নতুন সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’
উন্নয়নকাজে সমন্বয়হীনতার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘একটি সড়ক বা উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে কখনো গ্যাসের লাইন কাটা হচ্ছে, পরে আবার সেখানে গ্যাসের লাইন বসাতে হচ্ছে। একইভাবে পানির পাইপ সরিয়ে আবার নতুন করে স্থাপন করতে হচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে আন্তঃসংস্থা সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।’
এর আগে রবিবার (২৩ আগস্ট) সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সিউকের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সিলেট ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাকে পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবে সিউক। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন, সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে ‘সিউকের রাজস্ব খাতে ৬৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ৭১৪টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব পদের যৌক্তিকতা, বেতন স্কেল, নিয়োগযোগ্যতা নির্ধারণ ও প্রবিধানমালা প্রণয়ন করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে স্থায়ী ও আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থায়ী দপ্তরের জন্য জমি পেতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অস্থায়ী কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।’

