ট্রাম্পের জরুরি বৈঠক, ইরান যুদ্ধ কী আরও ভয়াবহ হবে?

প্রান্তডেস্ক:ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নিতে যাচ্ছে। হরমুজ প্রণালির বাইরে গিয়ে ইরানের ভেতরে বড় ধরনের হামলার ছক কষতে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুমে’ শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
খবরে বলা হয়েছে, ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে এবং পরমাণু চুক্তির শর্ত মানতে বাধ্য করতেই ট্রাম্প এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন। বৈঠকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং সিআইএ প্রধানসহ শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইরানের সামরিক বাহিনী কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, পশ্চিম এশিয়ার তেল ও গ্যাস ‘হয় সবাই পাবে, নাহলে কেউই পাবে না’। প্রয়োজনে তারা অন্যান্য রপ্তানি পথগুলোও বন্ধ করে দেবে বলে সতর্ক করেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি এলাকা এবং ইরানের দক্ষিণ উপকূলে টানা চতুর্থ দিনের মতো হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানের রাডার ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো।
মঙ্গলবার বিকাল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে নতুন করে মার্কিন নৌ-অবরোধও শুরু হয়েছে। এর জবাবে জর্ডান, কুয়েত এবং বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান।
বৈঠকের আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আগামী দিনে হামলা আরও বাড়বে। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, আগামী সপ্তাহে আমরা তাদের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেব। যদি তারা আলোচনায় না বসে, তবে আগামী সপ্তাহটি তাদের জন্য খুব খারাপ হতে যাচ্ছে।
এছাড়া ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’ নামের একটি ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনার ওপর নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, আমেরিকার শক্তিশালী বোমা মাটির অনেক গভীরে গিয়েও আঘাত হানতে পারে।

