ভারতকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়ে এক নম্বর দল হতে চায় ইংল্যান্ড

ব্রুক বলেন, “বিশ্বের এক নম্বর (টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং) দল হওয়া এবং একই দিনে ইংল্যান্ডের ফুটবল দলের সেমিফাইনালে ওঠা—এটা দারুণ ব্যাপার হবে। আমরা অবশ্যই ফুটবল ম্যাচটির দিকেও নজর রাখব এবং খেলা দেখব।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের বলা হয়েছে, পরের ম্যাচটি জিততে পারলে আমরা বিশ্বের এক নম্বর দল হয়ে যাব। এটিই এখন আমাদের বড় লক্ষ্য। ভারত খুবই শক্তিশালী দল। গত কয়েক বছরের তুলনায় তারা হয়তো এই সিরিজে নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারেনি। তবে আমরা যেভাবে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছি, তাতে আমরা খুবই সন্তুষ্ট।”
ভারতকে হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যও গোপন করেননি ইংলিশ অধিনায়ক।
ব্রুক বলেন, “সত্যি বলতে, ভারতকে ৪-০ ব্যবধানে হারানো অসাধারণ একটি সিরিজ জয় হবে। আর বিশ্বের এক নম্বর দল হতে পারলে সেটি আরও বড় অর্জন। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা আবারও মাঠে নেমে তাদের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেতে চাই। সাউদাম্পটনে গিয়ে দ্রুত কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। এই সিরিজজুড়েই আমরা কাজটি খুব ভালোভাবে করেছি।”
গত বছর অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর থেকে ব্রুকের নেতৃত্বে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে ইংল্যান্ড। এখন পর্যন্ত তার নেতৃত্বে সমাপ্ত ২২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্যে ১৯টিতেই জয় পেয়েছে দলটি। চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ২৫৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লড়াই করেও হেরে যায় ইংল্যান্ড। তবে সেই পারফরম্যান্সই তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বলে মনে করেন ব্রুক।
তিনি বলেন, “খোলাখুলিভাবে বললে, আমাদের সাদা বলের দলটি দারুণ একটি পথে এগোচ্ছে। আমরা অসাধারণ ক্রিকেট খেলছি। আমরা বিভিন্ন ধরনের উইকেট ও কন্ডিশনের সঙ্গে খুব ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারছি। বিশ্বকাপেও আমরা ভালো খেলেছি। ওয়াংখেড়েতে ২৫৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৫০ রানের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম, যা ছিল অবিশ্বাস্য।”
শেষ ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী ব্রুক আরও বলেন, “আমার মনে হয়, এই সিরিজটি ইংলিশ ক্রিকেটকে ঘিরে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা বদলে দিয়েছে। তবে এখনও একটি ম্যাচ বাকি। আশা করছি, আমরা বিশ্বের এক নম্বর দল হব এবং শক্তিশালী ভারতীয় দলকে আবারও হারাতে পারব।”

