ভেনেজুয়েলার পর ট্রাম্পের লক্ষ্য কী ইরান?
স্যাকস দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় আট বছর আগেই লাতিন আমেরিকার নেতাদের জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমি সরাসরি ভেনেজুয়েলায় হামলা চালাই না কেন? এটা থেকে বোঝা যায়, এই ধরনের সামরিক পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই চলছিল।
খ্যাতনামা এই অর্থনীতিবিদ সবচেয়ে উদ্বেগজনক মন্তব্য করেন ইরান প্রসঙ্গে। জেফ্রি স্যাকস বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান হলে পরিস্থিতি ভেনেজুয়েলার চেয়েও ভয়াবহ হবে। তার মতে, ইরান আধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মালিক এবং দেশটি এমন এক অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে বড় শক্তিগুলোর সরাসরি স্বার্থ জড়িত। ফলে সেখানে যুদ্ধ শুরু হলে তা সহজেই বৈশ্বিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
তিনি জানান, নতুন বছরের সময় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সঙ্গে মার-আ-লাগোতে বৈঠক করেন। সেই বৈঠক থেকে ‘ইরান পরবর্তী লক্ষ্য’—এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে তার দাবি।
এই প্রেক্ষাপটে জেফ্রি স্যাকস চলতি বছরে ভারতের নেতৃত্বে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোকে জাতিসংঘ সনদ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান। তার মতে, তা না হলে বিশ্ব এক ভয়াবহ অস্থিতিশীলতার মুখে পড়তে পারে। সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি