প্রকাশিত হয়েছে : ৩ জুলাই, ২০২৩ ২:৪৯ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১২২ বার পঠিত
প্রান্তডেস্ক: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কয়েকদিন ধরে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়ে সিরাজগঞ্জের চৌহালী, শাহজাদপুর ও এনায়েতপুরে তীব্র নদীভাঙন। ইতিমধ্যেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে স্কুল, বসতবাড়ি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি। ভিটেমাটি আর বসতবাড়ি হারিয়ে অসহায় নদীপাড়ের মানুষ।
শনিবার (১লা জুলাই) সকালে প্রবল স্রোতে আকস্মিকভাবে চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চর-সলিমাবাদ গ্রাম সংলগ্ন সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিদ্যালয়টি টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার মধ্যে হলেও সীমান্তবর্তী হওয়ায় চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চর সলিমাবাদ গ্রামের একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিলো এটি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙনের সময় শত শত মানুষ তাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হতে দেখেও রক্ষা করতে পারেনি। এতে পিছিয়ে পড়া চরাঞ্চলের মানুষের প্রায় দুই শতাধিক ছেলে-মেয়ের পড়ালেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
ভাঙন কবলিতদের অভিযোগ, বছরের পর বছর নদীভাঙন রোধে সঠিক সময়ে কোনো কাজ হয়নি। এতে সময়মতো পদক্ষেপ না নেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙনরোধে বরাবরের মতোই কাজ করে যাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সোমবার (৩ জুলাই) দুপুরে সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ জানান, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গত বছর ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০০ ফুট লম্বা একতলা ভবনটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ভবনটি নদীগর্ভে চলে গেছে। এর আগেও পুরাতন ভবনটিও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ে পাঠদান করার মতো আর কিছু রইলো না।