আফ্রিকাসহ সংকটপ্রবণ অঞ্চলে ৭১০ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ইইউ
ইউরোপীয় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঘোষিত প্যাকেজের মধ্যে ৩৮০ মিলিয়ন ইউরো সাব-সাহারা আফ্রিকায় অভিবাসনসংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যয় হবে। এর আওতায় ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের সুরক্ষা, স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরত যাওয়া এবং পুনর্বাসন ও পুনঃএকীভূতকরণে সহায়তা দেওয়া হবে।
এছাড়া সাব-সাহারা আফ্রিকায় সংঘাত, খাদ্যসংকট, অপুষ্টি ও জলবায়ুজনিত অভিঘাত মোকাবিলায় আরও ৯৭ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করা হয়েছে। আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে মানবিক পরিস্থিতির অবনতির কারণে এই অর্থ জরুরি সহায়তা কার্যক্রমে ব্যবহার করা হবে।
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো) ও আশপাশের দেশগুলোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলাতেও এই প্যাকেজ থেকে অর্থ দেওয়া হবে। ডিআর কঙ্গোর ইবোলা মোকাবিলা ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির জন্য আলাদাভাবে ৭.৫ মিলিয়ন ইউরো এবং গ্রেট লেকস অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় ১০ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করা হয়েছে। অঞ্চলটিতে দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও পরিবেশগত পরিবর্তনজনিত সমস্যা রয়েছে।
প্যাকেজের আওতায় সাব-সাহারা আফ্রিকার স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ইইউর একটি গ্যারান্টিও রয়েছে। পাশাপাশি কলম্বিয়ায় টিকা ও জৈব ওষুধ উৎপাদন বাড়াতে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের ঋণ এবং ইথিওপিয়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে ৬০ মিলিয়ন ইউরো দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইইউ।
এছাড়া ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও লেবাননে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১০৩ মিলিয়ন ইউরো এবং ইউক্রেনে মানবিক সহায়তা ও জরুরি প্রস্তুতির জন্য ৫২ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করা হয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইইউ ২.৫ বিলিয়ন ইউরো মানবিক সহায়তা বরাদ্দ করেছে। নতুন প্যাকেজের মাধ্যমে আফ্রিকা ও অন্যান্য সংকটপ্রবণ অঞ্চলে চলমান মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে।
তথ্য সূত্র- আলজাজিরা।

