কলিমুল্লাহকে এবার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম।
কলিমুল্লাহর আইনজীবী মহসিন রেজা জানান, তার মক্কেলকে কাফরুল থানার তরিকুল ইসলাম রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
কলিমুল্লাহ গত ১৪ জুন উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান তিনি। পরে এক লাখ টাকা মুচলেকা এবং পাসপোর্ট জমা সাপেক্ষে তাকে জামিননামা দাখিলের অনুমতি দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির। অন্য কোনো মামলা না থাকায় তিনি কারামুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন।
তবে গত ৩০ জুলাই ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানার জুলাই আন্দোলনের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় তার মুক্তির পথ আটকে যায়। সম্প্রতি এ মামলাতেও জামিন পান তিনি।
এদিন শুনানিকালে নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে আদালতে হাজির করা হয়।
শুনানিতে তার আইনজীবী মহসিন রেজা বলেন, “এ আসামির রাজনৈতিক কোনো পদ নেই, তিনি একজন প্রফেসর। তিনি শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদ বহন করতেন।
“এটা থেকেই তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো আবেদন করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার না দেখানোর প্রার্থনা করছি।”
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, “এ আসামি আওয়ামী লীগের সাথে রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। এই হত্যার সাথে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।”
আদালতের অনুমতি নিয়ে নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বলেন, “আমি ছাত্রজীবন এবং আমার শিক্ষকতার জীবনে কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত ছিলাম না এবং এখনো নেই। আমি ভিসি থাকাকালীন সময় তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছি।
“এতে আমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদ হত্যা নিয়ে আমি প্রতিবাদ করেছি এবং কথা বলেছি। আমি একজন শিক্ষক। এর বাইরে আর কিছু না।”
উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কাফরুল এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন তরিকুল ইসলাম রুবেল। রাত ৮টার দিকে আন্দোলনকারীদের গুলি ও হামলা করা হয়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তরিকুল ইসলাম রুবেল। পরে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়।(সৌজন্যে:বিডিনিউজ২৪.কম)


