রংপুরে এক পরিবারে ৪ খুন :এবার পুলিশের বিরুদ্ধে আলামত নষ্টের অভিযোগ করল সিদ্ধার্থের ভাই:
প্রান্তডেস্ক:রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় এবার পুলিশের বিরুদ্ধে আলামত নষ্টের অভিযোগ তুলেছেন গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বড় ভাই পার্থ দাস। তার দাবি, হত্যাকাণ্ডের পর গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, আলামত নষ্ট করতে ছাদ ধোয়া হয়নি; ভুল করে মোটরের সুইচ চালু হয়ে যাওয়ায় ট্যাংক থেকে পানি উপচে ছাদ ভিজে যায়।
তবে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ বলছে, ঘটনাটি নিয়ে ষড়যন্ত্রের কোনো বিষয় নেই। গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ সদস্যদের কেউ লাইটের সুইচ দিতে গিয়ে ভুল করে মোটরের সুইচ চালু করে ফেলেছিলেন। এতে পানির ট্যাংক উপচে ছাদে পানি জমে যায়। পরে পানি পড়তে দেখে মোটর বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এর আগে গত শনিবার (২২ আগস্ট) নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৪) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২)।
এ ঘটনায় গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে প্রতিবেশী দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের আদালতে হাজির করা হলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার তদন্ত বর্তমানে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অধীনে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের আলামত সংরক্ষণ ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


