বিশ্ব ট্রাম্পের বার্তা নিয়ে তেহরানে আসিম মুনির?

প্রান্তডেস্ক:পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের তেহরান সফর নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা ও কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ যখন নতুন স্তরে প্রবেশ করতে যাচ্ছে, তখন আসিম মুনিরের এই সফর নিয়ে নানান হিসাব-নিকাশ হচ্ছে।
এর আগে আসিম মুনির ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় গালিবাফ পশ্চিম এশিয়ায় শত্রুতা অবসান এবং হরমুজ প্রণালী ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত আলোচনার পথ তৈরির লক্ষ্যে গত জুনে স্বাক্ষরিত ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের প্রতিশ্রুতিগুলো বারবার লঙ্ঘন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করেন। টেলিগ্রামে গালিবাফের শেয়ার করা একটি বিবৃতি অনুযায়ী, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মুনিরকে সাথে নিয়ে সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের অসংখ্য প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করেন। বিবৃতিতে গালিবাফ বলেন, ‘সমঝোতা স্মারকে পক্ষগুলোর প্রতিশ্রুতিগুলো স্পষ্ট ছিল এবং আমেরিকাই তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় বাধা সৃষ্টি করেছে এবং দেশটির প্রতি নতুন করে অবিশ্বাস তৈরির কারণ তৈরি করেছে।’ এই ইরানি কর্মকর্তা আরও জোর দিয়ে বলেন যে, তেহরান সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ইরান কোনো বাহ্যিক চাপের মুখে প্রভাবিত হচ্ছে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের সাথে তার চমৎকার ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনার মধ্যেও আসিম মুনিরের তেহরান সফর বিশ্বরাজনীতিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত জুনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরপরই দুইপক্ষের অনাস্থা আর অবিশ্বাসে তা ভেস্তে যায়। এখন আবার দুই পক্ষই যুদ্ধংদেহী অবস্থান নিয়ে মাঠে নেমেছে। আসিম মুনির মূলত এই ভেঙে পড়া শান্তি আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করতেই তেহরান সফরে গেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

