এমপি ও লর্ড সভার সদস্যদের সংহতি::বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ
সমাবেশে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের চার সদস্য সভাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। তারা হলেন, হাউস অব কমন্স সদস্য লুক মারফি, অ্যান্ড্রু মিচেল, জিম ডিক্সন ও নবেন্দু মিশ্র। বিবিসি বাংলা বিভাগের প্রাক্তন সাংবাদিক শামীম চৌধুরীও বিক্ষোভে সামিল হন।
বাংলাদেশ হিন্দু অ্যাসোসিয়েশন ইউকে-এর সভাপতি প্রশান্ত পুরকায়স্থ- এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অলক চন্দ, সহসভাপতি রবীন পাল, সহসভাপতি বিপুল মণ্ডল, সহসভাপতি অমর বৈদ্য, সহসভাপতি হরিপদ শুক্লবৈদ্য, কোষাধ্যক্ষ বিশ্বজিৎ দে, সনাতন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান কণ্ঠযোদ্ধা হিমাংশু গোস্বামী, রাম সাহা, কবি মুজিবুল হক মনি, বিক্রম ব্যানার্জি, সাংস্কৃতিক কর্মী গৌরী চৌধুরী, সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্টের চেয়ারম্যান পুষ্পিতা গুপ্তা, সুজিত চৌধুরী, তপন সাহা, রতন বিশ্বাস, সুশান্ত হালদার, হিরণ্ময় গোস্বামী, কবিতা গুপ্তা, দেবাশীষ রায়, বিজন ভট্টাচার্য, পঙ্কজ ভট্টাচার্য, বিজন দত্ত, স্বরূপ শ্যাম চৌধুরী, বাপ্পি দাম, সুজয় সাহা, চিত্ত সাহা, জহর শীল, মহামায়া শীল, নির্মল চন্দ, রতন চৌধুরী, রিতা দে, ইভান চৌধুরী, অর্জুন দত্ত, স্বপন রায়, অর্ঘ্য বিশ্বাস, মৌলি ধর ও প্রাণেশ ধর।
বক্তারা সহিংসতায় বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে দীপু দাসসহ অন্তত ১২ জন হিন্দুর প্রাণহানি, হিন্দুদের বাড়ি ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া, ভীতি প্রদর্শন এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। তারা চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর নিঃশর্ত মুক্তি এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, এই প্রতিবাদ কোনো ধর্ম বা জাতির বিরুদ্ধে নয়। এটি অন্যায়, নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিবেককে জাগ্রত করার মানবিক আহ্বান।
প্রতিবাদ সভা থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

