আরও ১ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার

প্রান্তডেস্ক:মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের সংকট মোকাবেলায় আরও ১ লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার; একইসঙ্গে ২৫ হাজার টন অকটেনও আমদানি করা হবে।
‘জরুরি চাহিদা পূরণে’ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ জ্বালানি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয় বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এদিন দুপুরে জাতীয় সংসদে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক হয়েছে।
এর আগে গত ২১ এপ্রিল ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দেড় লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল ও ২৫ হাজার টন অকটেন আমদানির সায় মেলে।
ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি তেল সরবরাহের চাপে পড়ে সরকার। বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করলেও পেট্রোল পাম্পগুলোতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।
এই সময়ে বিশ্বের জ্বালানি বাজারেও দাম বেড়ে যায়। সরকার প্রয়োজনে মে মাসে তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা বলেছিল। তবে তার আগে গত ১৮ এপ্রিলেই তেলের দাম বাড়ানো হয়।
ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০, পেট্রোলের দাম ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ এবং কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করা হয়।
বৃহস্পতিবার ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে কয়েকটি জ্বালানির কূপ অনুসন্ধানের ক্রয় প্রস্তাবেও সায় মেলে।
এর মধ্যে রয়েছে বাপেক্সের তিনটি অনুসন্ধান কূপ প্রকল্পের আওতায় শ্রীকাইল ডিপ-১ ও মোবারকপুর ডিপ-১ খনন কার্যক্রম বাস্তবায়নে ক্রয় প্রস্তাব। এছাড়া সিলেট-১২ নম্বর কূপ খনন (তেল কূপ) প্রকল্পের কাজ সম্পাদনের আনুষঙ্গিক বিষয়ের ক্রয় প্রস্তাব রয়েছে।
এ ছাড়া রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার এবং দেশীয় উৎস থেকে ৯ হাজার টন মসুর ডাল কেনারও সায় মেলে ক্রয় কমিটির সভায়।


