প্রান্তডেস্ক:মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাকে বলেছেন, ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীন চীন তাইওয়ান আক্রমণ করবে না। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনার আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সাংবাদিকের উদ্দেশে বলেন, ‘তিনি (শি জিনপিং) আমাকে বলেছিলেন, ‘যতক্ষণ আপনি প্রেসিডেন্ট থাকবেন, আমি কখনই এটি করব না।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘শি আমাকে এটি বলেছিলেন এবং আমি বলেছিলাম, ‘ঠিক আছে, আমি এটির প্রশংসা করি’। তবে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমি খুব ধৈর্যশীল এবং চীন খুব ধৈর্যশীল।’
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে গত জুন মাসে প্রথমবার শি’র সঙ্গে ফোনালাপের কথা নিশ্চিত করেছিলেন। এপ্রিল মাসেও বলেছিলেন, শি তাকে ফোন করেছেন। কিন্তু কখন সেই ফোনালাপ হয়েছিল, তা নির্দিষ্ট করে বলেননি।
চীন তাইওয়ানকে তার নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দেখে এবং প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে পৃথকভাবে শাসিত দ্বীপটির সঙ্গে পুনর্মিলিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে তাইওয়ান সরকার চীনের সার্বভৌমত্ব দাবির আপত্তি জানায়।
গতকাল শুক্রবার ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস তাইওয়ানের বিষয়টিকে চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বিষয়’ হিসাবে বর্ণনা করেছে।
দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘মার্কিন সরকারের উচিত এক-চীন নীতি এবং তিনটি মার্কিন-চীন যৌথ ইশতেহার মেনে চলা, তাইওয়ান-সম্পর্কিত বিষয়গুলো বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিচালনা করা এবং তাইওয়ান প্রণালীজুড়ে চীন-মার্কিন সম্পর্ক ও শান্তি-স্থিতিশীলতা আন্তরিকভাবে রক্ষা করা।’
যদিও ওয়াশিংটন তাইওয়ানের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী ও আন্তর্জাতিক সমর্থক, তবুও বেশিরভাগ দেশের মতোই যুক্তরাষ্ট্রেরও তাইওয়ানের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।