অভিযোগটি মামলা হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রহণ করেছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.কে.এম সাহাবুদ্দিন শাহীন।এ বিষয়ে এজাহারে মোহাম্মদ আমানুল্লাহ উল্লেখ করেন, ‘গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাত্র ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে একজন যুবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের গেইটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু ছাত্র তাকে আটক করে প্রথমে ফজলুল হক মুসলিম হলের মূল ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে তিনি মোবাইল চুরি করেছে বেলে অভিযোগ তুলে এলোপাতাড়ি চর থাপ্পড় ও কিলঘুষি মারে।
তাকে জিজ্ঞাসা করলে তার নাম- তোফাজ্জল বলে জানান। পরবর্তীতে তিনি মানসিক রোগী বুঝতে পেরে তাকে ফজলুল হক মুসলিম হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাবর খাইয়ে তাকে ফজলুল হক মুসলিম হলের দক্ষিণ ভবনে গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সাথে পেছনে হাত বেধে স্ট্যাম্প, হকিস্টিক ও লাঠিদ্বারা উচ্ছৃঙ্খল কিছু ছাত্র বেধরক মারধর করলে তোফাজ্জল অচেতন হয়ে পড়ে। তার এই বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষককে জানালে তাদের সহায়তায় অচেতন যুবককে ধরাধরি করে মেডিকেলে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে উক্ত যুবককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়া বধবার দিন গত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মৃত বলে ঘোষণা করে। যাহার রেজিঃ নং- ১৩৮৯/২৪২৫৯।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.কে.এম সাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এজাহার দিয়েছেন। এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।