সংবাদ সম্মেলনে চার দিনের সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান। তাই আলাদা করে এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার তেমন সুযোগ হবে না।
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে সেটি দ্বিপক্ষীয় বিষয়। উভয় পক্ষের সুবিধাজনক সময়ে পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে সেটির আয়োজন বিবেচনা করা হবে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই চিঠিতে খুব শিগগির বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছিলেন ট্রাম্প।
সফরে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই বললেই চলে। গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর আগামী দিনে নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা, নেতৃত্ব ও নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই হবে মূল কাজ।
প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত সফরসঙ্গীর বহর প্রসঙ্গে তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেন, সনাতনী ধারা ভেঙে এবার অত্যন্ত সীমিত পরিসরে প্রতিনিধিদল গঠন করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক বহরে রয়েছেন মাত্র ৩৩ জন। এর বাইরে নিরাপত্তাকর্মী, অত্যাবশ্যকীয় গণমাধ্যমকর্মী ও ব্যক্তিগত কয়েকজন কর্মী রয়েছেন। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ এবং বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে দেশের স্বার্থ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতেই বহরটি সংক্ষিপ্ত রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।