সিলেটের সেই নিহত ৩ জনের শরীরে ছিল আঘাতের যত চিহ্ন
প্রান্তডেস্ক:সিলেট মহানগরীর রায়নগর এলাকায় সকাল্য ৯টার দিকে একটি বাসায় ঢুকে দম্পতি ও তাদের গৃহকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত ৭টার দিকে গ্রেফতার বাবুল মিয়াকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
ময়নাতদন্তের তথ্য অনুসারে, সুরাইয়া বেগমের ডান হাতের চারটি আঙুল কাটা ছিল। তার শরীরেও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আব্দুস সাত্তারের গলা ও ঘাড়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আর তাহমিনার শরীরে ছিল ১৭ থেকে ১৮টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন।
ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি রায়নগর রাজবাড়ী এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনির মৃত নূর মিয়ার (কবিরাজ) ছেলে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাবুল মিয়াকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাঈনুল জাকির বলেন, তিনজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় বাবুল মিয়াকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নিহত দম্পতির ছেলে দেশে আসার পর শুক্রবার মামলার এজাহার দেওয়া হতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকালে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি রক্তমাখা ছোরা উদ্ধার করে পুলিশ। বাবুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রায়নগরের একটি খালি জায়গা থেকে ছোরাটি উদ্ধার করা হয়।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া ছোরাটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। ছোরায় থাকা রক্তের সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা রক্তের নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে।তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের বেসিন ও হাত ধোয়ার স্থানে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ছোরার ধাতব অংশে শুকনো রক্তের দাগ এবং একটি ব্যাগেও রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। এসব আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হবে।
উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে দরজার নিচের ছোট ছিটকানি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। বাবুল যে বারান্দা দিয়ে পালানোর কথা বলেছেন, সেখানকার রেলিংয়ে হাত ও পায়ের ছাপ এবং নিচে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে(।সৌজন্যে:সিলেট ভিউ২৪.কম)


