ওয়াংচুককে সরিয়ে নেওয়ায় বিক্ষোভের তীব্রতা বেড়েছে
প্রান্তডেস্ক:ভারতে পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার ও প্রশ্ন ফাঁসের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলন নতুন মোড় নিয়েছে। গত মে মাসে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এই আন্দোলনের ডাক দেয়। আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে গত ২৮ জুন থেকে অনশন শুরু করেন সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। টানা ২০ দিন অনশনের পর তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতির কথা বলে গত শনিবার দিল্লি পুলিশ ওয়াংচুককে প্রতিবাদস্থল থেকে জোর করে সরিয়ে নিয়ে যায়। তবে পুলিশের এই পদক্ষেপ আন্দোলনকে দমাতে পারেনি, বরং বিক্ষোভের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
অব্যাহত থাকবে আন্দোলন
পদযাত্রা ঘিরে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা
ওয়াংচুকের স্ত্রীর আইনি লড়াই
সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে স্থানান্তর করার পর বিষয়টি আদালতে গড়িয়েছে। ওয়াংচুককে অবৈধভাবে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে অভিযোগ তুলে তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি আঙমো দিল্লি হাইকোর্টে একটি জরুরি আবেদন করেন। আবেদনে সোনম ওয়াংচুককে সরকারি হাসপাতাল থেকে তাদের পছন্দের বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের দাবি জানান।
তবে ভারতীয় হাইকোর্ট তাঁর আবেদনটি খারিজ করে দেন। আদালত জানান, ওয়াংচুকের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় সরকারের এই পদক্ষেপ কোনো খামখেয়ালি নয়, এতে ওয়াংচুকের স্বাধীনতাও খর্ব হচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ অনশনের কারণে ওয়াংচুকের শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
চিকিৎসকরা তাঁর সম্মতিক্রমে কেবল মুখে খাওয়ার তরল দিচ্ছেন। আদালত সোনম ওয়াংচুককে চিকিৎসকদের সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়ে আগামী ২৪ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন।
হাসপাতাল থেকে ওয়াংচুকের বার্তা
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই গতকাল সোনম ওয়াংচুক তাঁর স্ত্রীর মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমে একটি হাতে লেখা বার্তা পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি নিজেকে অবৈধ বন্দি উল্লেখ করে দেশবাসীকে আজ সোমবারের সংসদ ভবন অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এই আন্দোলনকে তিনি ‘ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা সংগ্রাম’ বলে অভিহিত করেন। খবর দ্য প্রিন্ট ও এনডিটিভির।

