৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৮ জুলাই মরহুম নেতার মরদেহ ইরাকে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বাগদাদ বা নাজাফ বিমানবন্দরে ইরাকি শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে এবং পরে নাজাফ ও কারবালা পবিত্র নগরীতে শোকমিছিল ও বিশেষ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। এর পরের দিন অর্থাৎ ৯ জুলাই ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারের কাছে পারিবারিক কবরস্থানে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে। এই মহোৎসব ও রাষ্ট্রীয় শোক উপলক্ষে ইরানে বেশ কয়েক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৪ ও ৫ জুলাই তেহরান প্রদেশে, ৬ জুলাই তেহরানের মূল জানাজার দিন দেশজুড়ে, ৭ জুলাই কোমে এবং ৯ জুলাই খোরাসান রাজাভি প্রদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।
আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, এই বিশাল জমায়েতে অংশ নেওয়া মানুষের যাতায়াত সহজ করতে তেহরানের মেট্রো ও পৌর বাস সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে। এছাড়া অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনো ধরনের ইন্টারনেট নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না এবং অনুষ্ঠানটি কাভার করতে ইতিমধ্যে ৩০০ জনেরও বেশি বিদেশি সাংবাদিক নিবন্ধন করেছেন। ইরাকের সাথে যৌথ সমন্বয়ের মাধ্যমে সেখানেও একটি জাতীয় আয়োজক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই বিদায় অনুষ্ঠানে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, আঞ্চলিক সংহতি এবং নতুন নেতৃত্বের প্রতি জনগণের আনুগত্য প্রকাশের এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

