দীপু মনিকে ৩ মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাদির শাহ্ বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এর বাসায় ২০২৪ সালে ১৮ জুলাই ও ৪ আগস্ট দু’বার ভাঙচুর, আগুন দেওয়া ও লুটপাট করা হয়। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১ নম্বর আসামি দীপু মনি। তার নির্দেশে অন্য আসামিরা ঘটনাটি ঘটায়। সেই মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।
এক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্টু দত্ত বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১ নম্বর আসামি দীপু মনির ইন্ধনে অন্যান্য আসামিরা ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়। সেই মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।
আরেক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুরে আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ১ নম্বর আসামি দীপু মনির নির্দেশে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সড়ক ভবনের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় অন্য আসামিরা। ওই মামলায় দীপু মনিকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।
৩টি মামলায় আসামি দীপু মনির পক্ষে আদালতে কোন আইনজীবী ছিলেন না। দীপু মনি নিজেই তার মামলার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেন।
আদালত থেকে জানা যায়, ৩টি ঘটনাই চাঁদপুরে সংঘটিত হয়। দীপু মনিকে এজাহারে নির্দেশ ও ইন্ধনদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। আসামি বলেছেন তিনি জড়িত ছিলেন না। তদন্তের স্বার্থে ৩টি মামলায় আসামির শ্যোন অ্যারেস্ট মঞ্জুর করে বিচারক। আসামি বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন।
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন, জিপি এড. এ জেড এম রফিকুল হাসান রিপন, স্পেশাল পিপি এড. শিরিন সুলতানা মুক্তা, অতিরিক্ত পিপি এড. হারুনুর রশিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. শামসুল ইসলাম, সম্পাদক জাকির হোসেন ফয়সালসহ বিএনপি পন্থি আইনজীবীরা।

