সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট জানান, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বন্ধের চেষ্টা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর পূর্বের তুলনায় ২০ গুণ বেশি শক্তিশালী হামলা চালাবে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এই অভিযান কেবল কিছু ‘অশুভ শক্তিকে’ দমনের জন্য এবং তার বিশ্বাস—এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
ট্রাম্পের এই আশ্বাসের পর মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে এশিয়ার বাজারে তেলের দাম দ্রুত কমতে শুরু করে: ব্রেন্ট ক্রুড: ১০% কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮.৯২ ডলারে নেমেছে যা সোমবার ছিল ১২০ ডলার, নাইমেক্স লাইট সুইট ক্রুড: ১০.২% কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৫.০৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তবে আশঙ্কার বিষয় হলো, বর্তমান দাম কমলেও ইসরায়েল-ইরান সংঘাত শুরুর আগের তুলনায় তেলের দাম এখনো ২০ শতাংশ বেশি রয়েছে।