বিএনপির মহাসচিব পদে আলোচনায় এগিয়ে যারা

ছবি ; সংগৃহীত
প্রান্তডেস্ক:বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার পর থেকেই দলটির গুরুত্বপূর্ণ এই পদে কে আসছেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়ে শপথ নিলে মহাসচিবের পদটি আনুষ্ঠানিকভাবে শূন্য হবে। ফলে নতুন মহাসচিব বাছাইয়ে দলের ভেতরে সম্ভাব্য কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় এসেছে।
রুহুল কবির রিজভী
মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। দীর্ঘদিন ধরে দলের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা এই নেতা মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, গঠনতন্ত্রের নিয়মে মির্জা ফখরুলের পদ শূন্য হলে রিজভীই ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেতে পারেন।
এরই মধ্যে রিজভীকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও মনোনীত করা হয়েছে। ফলে দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামোতে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সালাহউদ্দিন আহমদ
সম্ভাব্য মহাসচিব হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নামও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভূমিকার কারণে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তবে দলীয় পর্যায়ে মহাসচিব পদ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি বলে বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন। ফলে সালাহউদ্দিন আহমদের নামটি আপাতত আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
শহীদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানি
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানির নামও সম্ভাব্য মহাসচিব হিসেবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং দলের সাংগঠনিক পর্যায়ে সক্রিয়তার কারণে তার নাম আলোচনায় রয়েছে।
হাবিব উন নবী খান সোহেল
সম্ভাব্য মহাসচিবের তালিকায় আরেক যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের নামও আলোচনায় এসেছে। বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় এই নেতার নাম বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আলোচনায় রয়েছে।
তবে অন্যদের মতো তার ক্ষেত্রেও দলীয়ভাবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার হাতে?
বিএনপির নেতারা বলছেন, মহাসচিব পদে শেষ পর্যন্ত কে আসবেন, তা অনেকটাই নির্ভর করবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর। দলীয় ফোরামে আলোচনা হতে পারে, তবে এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য নামগুলো নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।

