উত্তর কোরিয়ার পরমাণু শক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ভারতসহ চার দেশের আপত্তিতে ক্ষুব্ধ কিম!

দক্ষিণ কোরিয়ার একজন কর্মকর্তা পিয়ংইয়ংয়ের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কোয়াডকে ন্যাটোর একটি সম্ভাব্য এশীয় সংস্করণের ভিত্তি হিসেবে দেখে আসছে উত্তর কোরিয়া এবং বারবার এই গোষ্ঠীর সমালোচনা করেছে। সিউলের মতে, মূলত জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে লক্ষ্য করে উত্তর কোরিয়ার এবারের প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে, যা একইসঙ্গে তাদের সমর্থনের পরিষ্কার ইঙ্গিত দেয় চীনের অবস্থানের প্রতিও।
এদিকে, গত মঙ্গলবার (২৬ মে) উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি নির্ভর ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ।
এক প্রতিবেদনে কেসিএনএ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের তত্ত্বাবধানে এই প্রথমবার ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আর্টিলারি রকেট এবং এআই পরিচালিত প্রিসিশন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা শেষে সন্তোষ প্রকাশ করে কিম জানিয়েছেন, এআই পরিচালিত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, ‘স্পেশাল মিশন ওয়ারহেড’ প্রকল্পের আওতায় তৈরি এসব ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তি এবং নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা যাচাই করতেই পরিচালনা করা হয়েছে এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ।
উত্তর কোরিয়া দীর্ঘপাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতার অভাবনীয় উন্নতির পর এবার নিজেদের কৌশলগত ও প্রচলিত অস্ত্রাগারকে আরো আধুনিকীকরণে মনোযোগ দিয়েছে। এছাড়া পিয়ংইয়ং নিজেদের এসব আধুনিক অস্ত্র দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তের কাছাকাছি মোতায়েনের ঘোষণাও দিয়েছে। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, রয়টার্স, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনাদোলু

