সিলেটে সিজিএস আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা::ভয়মুক্ত ভোটাধিকার নিশ্চিত না হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র শুধু কথায় থাকবে

প্রান্তডেস্ক:ভয়মুক্ত ভোটাধিকার নিশ্চিত না হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র শুধু কথায় থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেটের সংখ্যালগু সম্প্রদায় ও নাগরিক সমাজের নেতৃবন্দরা।তারা বলেন, নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের ভোট ব্যাংক নয়, তাদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার সকালে সিলেটে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) “প্রতিটি কণ্ঠের মূল্য: সংখ্যালঘু অংশগ্রহণ ও বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ” শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে এমনটি বলেন বক্তারা।
সিলেট নগরের একটি হোটেলের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ গোলটেবিল বৈঠকে নাগরিক সমাজ, আইনজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও মতামতের গুরুত্ব, বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি, রাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বরকে মূলধারায় নিয়ে আসা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাদের সক্রিয় ও নির্ভীক ভূমিকা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো আলোকপাত করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ যখন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণকে গণতন্ত্রের একটি মূল মানদণ্ড হিসেবে দেখতে হবে, কোনো পার্শ্ব ইস্যু হিসেবে নয়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯.৬ শতাংশ হলেও অনেক ক্ষেত্রে তারা মনে করেন, রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও কর্মসূচিতে তাদের বিষয়গুলো যথাযথ গুরুত্ব পায় না। নির্বাচনের সময় অনেক দল তাদেরকে ভোটব্যাংক হিসেবে বিবেচনা করলেও নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান ও দায়িত্বশীল উদ্যোগ কম দেখা যায়। এই সংকট শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি কাঠামোগতও।
তিনি বলেন, সংখ্যালঘু নাগরিকদের অনেকেই দৈনন্দিন জীবনেই অনিশ্চয়তা, বৈষম্য এবং নিরাপত্তাহীনতার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন, আর নির্বাচনের সময় এসব ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচন শুধু ভোট দেওয়ার সুযোগ নয়; বরং ভয়মুক্ত পরিবেশে, কোনো চাপ বা হুমকি ছাড়া রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ও। সেটি নিশ্চিত না হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র কেবল কথার পর্যায়ে থেকে যায়। আদিবাসী সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এই চ্যালেঞ্জ আরও দীর্ঘদিনের। সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য, ভাষা ও পরিচয়ের স্বীকৃতি, ভূমি-সম্পত্তি সংক্রান্ত সংকট এবং ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নের বিষয়গুলো এখনও অনেকাংশে অসমাধান রয়ে গেছে। শুধু স্বীকৃতি যথেষ্ট নয়, বাস্তবায়নই অধিকারকে অর্থবহ করে তোলে। এই বাস্তবায়ন না থাকলে আদিবাসীসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত থাকে।
এতে হিন্দু বৌন্দ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ সিলেটের সভাপতি এড. মৃত্যুঞ্জয় ধর বলেন, আমরা ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে মহাসমাবেশে ৮ দফা দাবি উপস্থাপন করেছিলাম, কিন্তু আজও তা পূরণ হয়নি। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা আশা করেছিলাম—হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলমান, খ্রিস্টান সবাই একসাথে কাজ করব। কিন্তু সেই আশা আজও পূরণ হয়নি। বাংলাদেশে নির্বাচন এলেই আমরা সংখ্যালঘুরা ভয় ও আতঙ্কে থাকি। স্থানীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত প্রায় সব ক্ষেত্রেই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও বৌদ্ধদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। দীপু চন্দ্র দাস, মুনির চক্রবর্তী, রানা প্রসাদ বৈরাগীসহ আরও অনেককে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যে রাজনৈতিক দল সরকারে যায়, তারা নিজেদের মতো করে আইন তৈরি করে। যারা আইন প্রণয়ন করেন, অনেক সময় তারা নিজেরাই বোঝেন না—তারা কী করছেন। দেশে মবের প্রবণতা শুরু হয়েছে। মব কখনো বিচার হতে পারে না। এই মবের মাধ্যমে আমাদের ওপর জুলুম ও নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
সচেতন নাগরিক কমিটি সিলেটের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দা শিরিন হক বলেন, নারী কমিশন গঠনের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তার কোনো কার্যকর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না। এর পাশাপাশি পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে—মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার মতো নৃশংস ঘটনাও ঘটছে, অথচ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে নেই। এটি নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি গুরুতর প্রকাশ। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব এখনো অত্যন্ত সীমিত, এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ও উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত। এই অনুপস্থিতি শুধু রাজনৈতিক সংকট নয়, এটি সংবিধান ও গণতন্ত্রের দৃষ্টিকোণ থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সাংবিধানিক স্বীকৃতি, সুরক্ষা এবং প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত জোরালোভাবে সামনে এসেছে। কাঠামোগত ও আইনগত নিশ্চয়তা ছাড়া প্রকৃত সমতা এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ কখনোই বাস্তবায়িত হবে না।
অনুষ্ঠানে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইকবাল সিদ্দিকী বলেন, ১৯৭১ সালের সবচেয়ে বড় অর্জন আমাদের স্বাধীনতা। ২০২৪ সালেও আমরা আবার স্বাধীনতার দাবি তুলেছি ও নতুন করে একটি পরিবর্তনের আশা দেখেছি। কিন্তু বিপ্লবের পর আমরা হতাশ হয়েছি।
তিনি বলেন, বর্তমানে নানা জায়গায় মব তৈরি হচ্ছে, গণমাধ্যমের ওপর হামলা হচ্ছে। আমাদের সমাজের মন-মানসিকতায়ও বড় ধরনের সমস্যা আছে। তাই আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে এবং প্রতিবাদ করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে স্টেকহোল্ডাররা অপ্রত্যাশিতভাবে নানা ইস্যুতে জড়িয়ে পড়ায় আমরা আমাদের মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি।
তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা ঠিক না থাকলে কোনোভাবেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। রাজনীতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে না। যতদিন আমরা না বুঝব, ততদিন অনাচার ও সমস্যা চলতেই থাকবে।”
হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ সিলেট মহানগরের সভাপতি বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, “আমি হিন্দু হওয়ার কারণে কি এই দেশের রাষ্ট্রপতি হতে পারব না? অধিকার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অন্য নাগরিকরা যা পান, আমরা তা পাই না।”
পাত্র সম্প্রদায় কল্যান ট্রাস্টের সভাপতি গৌরাঙ্গ পাত্র বলেন, “একটি দল মনে করে তারা আগেই সরকারে চলে গেছে। এই মানসিকতা গণতন্ত্র ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বেগজনক।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশে প্রায় ৮০টি আসনে সংখ্যালঘু ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে আমাদের কথা ও দাবিগুলো রাজনৈতিক অঙ্গীকারে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।”
চা শ্রমিক নেতা হরি সবর বলেন, “আমরা যারা চা বাগানে কাজ করি, আমাদের অবস্থা বর্তমানে খুবই খারাপ। একসময় আমাদের মাসিক মজুরি ছিল ১২০ টাকা, পরে সরকার ১৪০–১৪৫ টাকা নির্ধারণ করে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমরা ১৭০ টাকা আদায় করতে পেরেছিলাম।” তিনি বলেন, “আমরা এখনো জমি ও অধিকার নিয়ে লড়াই করছি। স্কুলে ভর্তি ও শিক্ষার সুযোগের ক্ষেত্রেও আমাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়।”
ডিকন নিঝুম সাংমা বলেন, “আমরা এই দেশের নাগরিক। আমরা দেশকে ভালোবাসি। কিন্তু এখন আমরা আমাদের কথা বলতে পারি না। কারণ কথা বললেই আমরা সংকটপূর্ণ অবস্থায় পড়ে যাই।” তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে ও পরে কী হতে পারে, তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই যখনই আমরা কোনো কথা বলি, তার প্রভাব শুধু আমার ওপর পড়ে না—আমাদের পুরো সমাজের ওপর পড়ে।”
বৈঠকে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শামসুল বাসিত শেরো বলেন, “গত ৪০ বছর ধরে আমরা দেখছি—আমাদের জন্য কথা বলার কেউ নেই। আমাদের সংখ্যালঘু বানিয়ে রাখা হয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রশাসন পুরোপুরি একটি দলের হয়ে কাজ করে। প্রশাসনের ভেতরে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যার কারণে গত ১৫–২০ বছর ধরে সংখ্যালঘুদের কোনো কথা বলতে দেওয়া হয়নি।”
তিনি বলেন, গত ১৫ মাসে সিলেটে উল্লেখযোগ্য কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়নি। যেগুলো হয়েছে, সেগুলোতেও সংখ্যালঘুদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।”
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এডকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লক্ষীকান্ত সিংহ বলেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ও অধিকারসংক্রান্ত বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিশ্রুতি সেখানে নেই। জামায়াতের ইশতেহারেও খুব বেশি ভিন্ন চিত্র দেখা যায় না। এই বাস্তবতায় নির্বাচন হবে কি হবে না—তা অনেকের কাছে আর তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না, কারণ সংখ্যালঘুরা মনে করেন, এটি এমন একটি নির্বাচন নয় যেখানে তাদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল করিম কিম বলেন, দেশে ক্রমেই সংখ্যালঘুর সংখ্যা বাড়ছে। এখন সুফিবাদীরাও সংখ্যালঘু হয়ে গেছেন। তারাও আক্রান্ত হচ্ছেন।
তিনি বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এখন ক্রমশ মুখ খুলতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে, কারণ তারা বারবার সহিংসতা ও হয়রানির শিকার হচ্ছে। ফলে বক্তব্য ও বাস্তব সুরক্ষার মধ্যে ব্যবধান আরও বেড়েছে, এবং বাস্তব অর্জন এখনও অনেকটাই অনুপস্থিত।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আলোচকদের মধ্যে ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, সিলেট মহানগর-এর সভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর, পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর-এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট মলয় পুরকায়স্থ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সিলেট জেলা-এর সভাপতি অ্যাডভোকেট বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইকবাল সিদ্দিকী, খাসি সোশ্যাল কাউন্সিল-এর সেক্রেটারি অনিলজয় ডিকার, খাসিয়া নারী প্রতিনিধি হিলদা মুকিম, সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি সমর বিজয় সী শেখর, আইনজীবী রনেন সরকার রনি, পাত্র সম্প্রদায় কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গৌরাঙ্গ পাত্র, এথনিক কমিউনিটি ডেভেলাপমেন্ট অর্গানাইজেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লক্ষীকান্ত সিংহ, চা শ্রমিক নেতা হরি সবর, চা শ্রমিক নেত্রী শেলী দাস, সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলন, সিলেট-এর সমন্বয়ক আব্দুল করিম কিম, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রণবকান্তি দেব, ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি মিলন ওঁরাও, সচেতন নাগরিক কমিটি, সিলেট-এর সভাপতি এড. সৈয়দা শিরিন হক, প্রেসবেট্রিয়ান চার্চ-সিলেটের চেয়ারম্যান ডিকন নিঝুম সাংমা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট-এর সদস্য সচিব রাজিব কুমার দে, হিজড়া যুব কল্যাণ সংস্থা, সিলেট-এর সভাপতি মিস সুকতা, হিজড়া যুব কল্যাণ সংস্থা, সিলেট-এর কোষাধ্যক্ষ মুক্তি, বাংলাদেশ দলিত পরিষদ, সিলেট বিভাগের সভাপতি মিলন রবিদাস, বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ (সিলেট অঞ্চল)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি উৎপল বড়ুয়া, বৌদ্ধ সমিতি, সিলেট-এর সভাপতি চন্দ্র শেখর বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শামসুল বাসিত শেরো, উদ্যোক্তা পীযূষ কান্তি পুরকায়স্থ প্রমুখ।

