সর্বশেষ সংবাদ
রাজ-শুভশ্রী এক বাঁধনে  » «   বাংলাদেশ নতুন যুগে প্রবেশ করেছে : প্রধানমন্ত্রী  » «   আগাম বন্যার আশঙ্কা  » «   ঈদে আসছে ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’  » «   বজ্রপাতে একদিনে সারাদেশে ৩০ জনের মৃত্যু  » «   জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের ইন্তেকাল  » «   জাতিসংঘ মিশন : সিলেটের ২০০ স্বপ্নবাজ তরুণের নেতৃত্বে হাওরসন্তান সোহাগ  » «   বিয়ানীবাজারে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার  » «   বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন সোনম কাপুর আর আনন্দ আহুজা  » «   এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষন শুরু : একাদশে ভর্তি ১৩ মে থেকে  » «   ষাঁড়ের গুতোয় কৃষকের মৃত্যু  » «   পা-ই তার সাফল্যের চাবিকাটি  » «   গাছ ভেঙে পড়ায় সিলেটের সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ  » «   এসএসসিতে সিলেটে পাস ৭০.৪২% : জিপিএ-৫ ৩১৯১ জন  » «   নিয়োগ চলছে কামা পরিবহন (প্রা. লি.)-এ।  » «  

আশ্রয়শিবিরে সংক্রমণযুক্ত পানির বিষয়ে ইউনিসেফের সতর্কতা



jpyপ্রান্তডেস্ক:রোহিঙ্গাদের আশ্রয়শিবিরগুলোতে সংক্রমণযুক্ত খাবার পানির বিষয়ে সতর্কতা দিয়েছে ইউনিসেফ। কক্সবাজারে এসব আশ্রয়শিবিরগুলোর কূপে পাওয়া পানিতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় ইকোলি সংক্রমণ। এ বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে অনুসন্ধান করার ওপর জোর দিয়েছে ইউনিসেফ। নিউজিল্যান্ডের অনলাইন স্কুপ এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে জেনেভায় নিয়মিত ব্রিফিংয়ের অংশ হিসেবে সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য তুলে ধরেন ইউনিসেফের মুখপাত্র ক্রিস্টোফে বুলিয়ারক। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্যমতে, যেসব পানি মিলছে সেখানে তার মধ্যে শতকরা ৬২ ভাগই সংক্রমিত।
এতে কলেরা সহ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে অনেকে মারা গেছেন। ২৫ শে আগস্ট থেকে ১১ই নভেম্বর পর্যন্ত মারাত্মক কলেরায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৬ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট ১৫ হাজার ২০৬ জনই শিশু। এদের বয়স ৫ বছরের নিচে। মোট আক্রান্তের মধ্যে তারা শতকরা ৪২ ভাগ। বুলিয়ারক বলেন, আক্রান্তের হার ক্রমাগত বাড়ছে। এমন একটি প্রবণতা আমরা দেখতে পাচ্ছি। তবে কলেরায় এভাবে আক্রান্ত হওয়ার কারণ এখন পর্যন্ত সুনিশ্চিতভাবে জানা যায় নি। ধারণা করা হচ্ছে, এর সঙ্গে সংক্রমণযুক্ত খাবার ও পানির সম্পর্ক থাকতে পারে। উল্লেখ্য, আশ্রয় শিবিরগুলোতে যেসব কূপ খোঁড়া হয়েছে তার অনেকটাই অগভীর। ৪০ মিটারের চেয়েও কম এর গভীরতা। এসব কূপে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ বন্ধে কোনো নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা নেই। বুলিয়ারক বলেন, নাজুক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবসার কারণে এসব সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ বিষয়গুলো অনুসন্ধানে কাজ করছে ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টিউবওয়েল ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। যথাযথভাবে কূপগুলো ঢেকে রাখার বিষয়টিও মাথায় রয়েছে। বুলিয়ারক বলেন, আমরা পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণের চেষ্টা জোরালো করছি। একই সঙ্গে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নততর করার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কাছে নিরাপদ পানীয় পানি পৌঁছে দেয়া এখন ইউনিসেফের কাছে সর্বাধিক অগ্রাধিকারে রয়েছে।

Developed by: