সর্বশেষ সংবাদ
ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি : ঘোষণা উপজেলার, বাতিল জেলার  » «   ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল কাদিরের মায়ের ইন্তেকাল  » «   রণবীর-দীপিকা বিয়ে নভেম্বরে?  » «   যাদুকর ম্যারাডোনার পায়ের অবস্থা করুণ  » «   একটু আগেবাগেই শীতের আগমণ  » «   চট্টগ্রামে আইয়ুব বাচ্চুর জানাযা বাদ আছর  » «   রাবণ পোড়ানো দর্শনকারী ভিড়ের উপর দিয়ে ছুটে গেলো ট্রেন : নিহত ৬০  » «   গোলাপঞ্জে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী  » «   বিসর্জনের দিন সিলেটে আসনে ‘দেবী’  » «   বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে মেয়র আরিফ  » «   সিলেটে স্বয়ংক্রিয় কৃষি-আবহাওয়া স্টেশন স্থাপিত  » «   শীতে ত্বক সজীব রাখতে শাক-সবজি খান  » «   সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সংস্কার হচ্ছে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে  » «   কোম্পানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযানে পেলোডার মেশিন জব্দ  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনে সরকারকে নোটিশ  » «  

আশ্রয়শিবিরে সংক্রমণযুক্ত পানির বিষয়ে ইউনিসেফের সতর্কতা



jpyপ্রান্তডেস্ক:রোহিঙ্গাদের আশ্রয়শিবিরগুলোতে সংক্রমণযুক্ত খাবার পানির বিষয়ে সতর্কতা দিয়েছে ইউনিসেফ। কক্সবাজারে এসব আশ্রয়শিবিরগুলোর কূপে পাওয়া পানিতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় ইকোলি সংক্রমণ। এ বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে অনুসন্ধান করার ওপর জোর দিয়েছে ইউনিসেফ। নিউজিল্যান্ডের অনলাইন স্কুপ এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে জেনেভায় নিয়মিত ব্রিফিংয়ের অংশ হিসেবে সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য তুলে ধরেন ইউনিসেফের মুখপাত্র ক্রিস্টোফে বুলিয়ারক। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্যমতে, যেসব পানি মিলছে সেখানে তার মধ্যে শতকরা ৬২ ভাগই সংক্রমিত।
এতে কলেরা সহ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে অনেকে মারা গেছেন। ২৫ শে আগস্ট থেকে ১১ই নভেম্বর পর্যন্ত মারাত্মক কলেরায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৬ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট ১৫ হাজার ২০৬ জনই শিশু। এদের বয়স ৫ বছরের নিচে। মোট আক্রান্তের মধ্যে তারা শতকরা ৪২ ভাগ। বুলিয়ারক বলেন, আক্রান্তের হার ক্রমাগত বাড়ছে। এমন একটি প্রবণতা আমরা দেখতে পাচ্ছি। তবে কলেরায় এভাবে আক্রান্ত হওয়ার কারণ এখন পর্যন্ত সুনিশ্চিতভাবে জানা যায় নি। ধারণা করা হচ্ছে, এর সঙ্গে সংক্রমণযুক্ত খাবার ও পানির সম্পর্ক থাকতে পারে। উল্লেখ্য, আশ্রয় শিবিরগুলোতে যেসব কূপ খোঁড়া হয়েছে তার অনেকটাই অগভীর। ৪০ মিটারের চেয়েও কম এর গভীরতা। এসব কূপে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ বন্ধে কোনো নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা নেই। বুলিয়ারক বলেন, নাজুক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবসার কারণে এসব সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ বিষয়গুলো অনুসন্ধানে কাজ করছে ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টিউবওয়েল ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। যথাযথভাবে কূপগুলো ঢেকে রাখার বিষয়টিও মাথায় রয়েছে। বুলিয়ারক বলেন, আমরা পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণের চেষ্টা জোরালো করছি। একই সঙ্গে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নততর করার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কাছে নিরাপদ পানীয় পানি পৌঁছে দেয়া এখন ইউনিসেফের কাছে সর্বাধিক অগ্রাধিকারে রয়েছে।

Developed by: