সর্বশেষ সংবাদ
নিজের ছবির নায়িকা রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে মহেশ ভাটরিয়া চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ!  » «   এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ : ভিয়েতনামকে হারিয়ে গ্রুপসেরা বাংলাদেশের মেয়েরা  » «   বিসিবির প্রধান নির্বাচক নান্নুর বাসায় চুরি  » «   ঢাকায় সামার ওপেন ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার সুপার সিক্সটিন পর্ব : সিলেটী-সিলেটী লড়াই  » «   আটক চার ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর  » «   জগন্নাথপুরের রুহুল আমিন ইতালিতে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত  » «   জিয়াদের পরিবারকে খুঁজছে সিলেট কোতোয়ালি পুলিশ  » «   বন্য হাতির আক্রমণে কুলাউড়ার যুবদল নেতার মৃত্যু  » «   এ কী বললেন পপি!!!  » «   ওয়াকারের সর্বকালের সেরা একাদশে যারা  » «   যে পাঁচ উপায়ে ঠিকঠাক থাকবে আপনার কম্পিউটার  » «   শ্রীমঙ্গলে সড়কে গাছ ফেলে গণডাকাতি, হামলায় আহত ৩০ : ২০টি গাড়িতে লুটপাট  » «   দেড় লাখ ইভিএম মেশিন কেনার প্রকল্প অনুমোদন  » «   ‘মাসুদ রানা’র ‘সোহানা’ শারলিন  » «   মৌলভীবাজারে ‘সনাফ’র হরতালের ডাক : প্রতিহত করবে আ.লীগ  » «  

এরা এখনো বিশ্বাস করে না পৃথিবী গোল!



1প্রান্ত ডেস্ক: পৃথিবী হলো একটি থালার মতো। সেটা বইছে চারটি হাতি। তারা আবার বসে আছে এক বিশাল কাছিমের ওপর! পৃথিবীর আকার নিয়ে সনাতন পৌরাণিক কাহিনিতে এমনটাই লেখা ছিল। সুদূর পশ্চিমের আমেরিকা কিংবা পূর্বের চীনের মিথোলজিতেও কাছিম বাবাজি পৃথিবীর ভার বইতে বইতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছিলেন। আধুনিক বিজ্ঞানীরা এসব ধারণা ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছেন। সৌরজগৎ, ছায়াপথ, মহাকাশের ধারণা দিয়েছেন আমাদের। এ কারণেই তো এখন স্কুলপড়ুয়া বাচ্চারাও জানে, পৃথিবী গোল (আরও পরিষ্কার করে বললে গোলক)। পৃথিবী প্রায়-বৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। আবার চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে ফিরছে। এটাই এখন ধ্রুব সত্য। কিন্তু পৃথিবীতে এখনো কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা বিশ্বাস করে না পৃথিবী গোল। তাঁদের ধারণা, পৃথিবী সম্পর্কে এমন ভুল ধারণা দিয়ে তাঁদের ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে!

বিশ্বাস হচ্ছে না? না হলেও কিছু করার নেই। ৯ ও ১০ নভেম্বর নর্থ ক্যারোলাইনার র‍্যালেইয়ে হয়ে গেল প্রথম ‘ফ্ল্যাট আর্থ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স’। অর্থাৎ, যাঁরা বিশ্বাস করেন পৃথিবী হলো চাকতির মতো। নিজেদের এই মত সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে জানাতেই দুদিনব্যাপী এই সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন তাঁরা। এই ‘মহাজ্ঞানী’দের নেতা হলেন মার্ক সার্জেন্ট। ইউটিউবে এই ভদ্রলোকের প্রায় ৫০ হাজার অনুসারী আছেন। তাঁরা সবাই মিলে দাবি তুলেছেন, এখনো পৃথিবী যে গোল, এর সপক্ষে কোনো ছবি তুলতে পারেনি নাসা। বরং তাঁরা গবেষণা করে দেখেছেন, এসবই ভুল তথ্য। বরং পৃথিবী হলো চাকতির মতো। পৃথিবীর সব মহাদেশে চাকতির কেন্দ্র থেকে অন্যদিকে ছড়িয়ে আছে।

এমন চাকতি-তত্ত্বের সমস্যা একটিই। যেকোনো থালারই কিনারা থাকে, সে কিনারা উপচে পড়ে যাওয়াও সম্ভব। সে ক্ষেত্রে পৃথিবীর প্রান্তে গিয়ে কেউ পড়ে যাচ্ছে না কেন? ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ চলচ্চিত্রের ‘অ্যাট ওয়ার্ল্ডস অ্যান্ড’-এ যেমন দেখা গিয়েছিল আরকি! উত্তরও দেওয়া আছে। এই পৃথিবী নামক চাকতির পরিধিজুড়েই নাকি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ। এই বিশাল বরফের চাঁই নাকি আমাদের গড়িয়ে পড়া থেকে বাঁচিয়ে দিচ্ছে। এবং পৃথিবীর পুরুত্ব নাকি মোটেও হাজার হাজার কিলোমিটার নয়। সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার খুলতে পারলেই নাকি চাকতির উল্টো পিঠে যেতে পারবে মানুষ!

সবচেয়ে মজার বিষয়, নিজেদের এই যে ‘জ্ঞান’, সেটা সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করার জন্য সবাই এ সম্মেলনে হাজির হয়েছেন অর্থ খরচ করে। ২৪৯ ডলার, অর্থাৎ ২০ হাজার টাকায় সম্মেলনের টিকিট কিনে একে অপরকে নিশ্চিত করেছেন, তাঁরা একতাবদ্ধ! তারিফ করতেই হচ্ছে! সূত্র: বিবিসি।

Developed by: