সর্বশেষ সংবাদ
সুরমা পয়েন্টে যুবলীগ নামধারী দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবক আহত  » «   সিলেটে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের নির্দেশ দিলেন পুলিশের আইজিপি  » «   চুনারুঘাটে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১  » «   মিয়ানমারে আবারও সেনা অভ্যুত্থানের শঙ্কা  » «   সিলেট বিভাগে সেরা র‍্যাংকিংয়ে এমসি কলেজ  » «   ফেনীতে মুসলমান শিক্ষককে খুন করলেন বৌদ্ধ সহকর্মী শিক্ষক !  » «   বায়োলজিক্যাল ঘড়ি কী, যে কারণে নোবেল পুরস্কার  » «   নগরীতে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্যসহ ২ শীর্ষ ব্যবসায়ী আটক  » «   চিকিৎসায় নোবেল পেলেন মার্কিন তিন বিজ্ঞানী  » «   সিলেটে বিদ্যুতের ডিজিটালাইজেশনের ফাঁদে দুই লাখ গ্রাহক!  » «   ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজারে বাড়ছে ঝুঁকি  » «   মৃত্যুর আগে পানি চেয়েও পায়নি কিশোর  » «   সিলেটে ৫৭৬ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, থাকছে তিনস্তরের নিরাপত্তা  » «   জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১১ জনের নাম প্রকাশ  » «   মানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত সু চি-সেনাপ্রধান  » «  

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নোবেল শান্তি পুরষ্কার প্রদান করা হোক



1111111111মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জাতি সত্বা ধ্বংসে চলতি বছরের ২৫ আগস্ট থেকে মায়ানমার সরকারের নির্দেশে মায়ানমার সেনাবাহিনী ও পুলিশ শুরু করে গণ হত্যা, নারী নির্যাতন, শিশু হত্যা ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভূ-রাজনৈতিক কারণে সাম্রাজ্যবাদী, আতিপত্যবাদী শক্তির মদতে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা জাতি সত্বার উপর চালাচ্ছে নির্মম অত্যাচার। ইতিহাস বলে মায়ানমার (বার্ম) ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের উপনিবেশ ১৯৪৮ সালে অর্জন করে স্বাধীনতা। ১৩৬টি জাতিসত্বা নিয়ে যাত্রা করে সুন্দর ভবিষ্যত গড়ার পথে। মায়ানমারের এ সুন্দর পথ চলায় ক্ষুব্ধ হয় সাম্রাজ্যবাদী শক্তি, তাদের চক্রান্তে সাড়া দিয়ে ১৯৬২ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে মায়ারমারের তৎকালীন সেনা প্রধান নে উইন আর শুরু করে জাতিগত নির্যাতন ধর্মীয় সহিংসতা। উল্লেখ্য, আজ যে রোহিঙ্গা জাতিসত্বার মায়ানমারের নাগরিকত্ব নেই সেই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষ ছিল মায়ানমার পার্লামেন্টের সদস্য, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের ছিল বিশাল ভূমিকা।
মায়ানমারের সামরিক জান্তারা ১৯৭৮ সালে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বিতাড়িত করে রাখাইন থেকে, সরকারের অত্যাচারে একটি জনগোষ্ঠী চলে আসে বাংলাদেশে, বাংলাদেশ সরকার দেয় আশ্রয় এবং পরে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় আশ্রিতদেরে ফেরত পাঠায় মায়ানমারে, কিন্তু এটাই শেষ হয়নি। মায়ানমার সরকার চালাতে তাকে নির্যাতন, তাড়াতে থাকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে। আর তাড়িত জনগোষ্ঠীর সিংহভাগ আশ্রয় নেয় বাংলাদেশে।
২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে আবারও মায়ানমারের শাসকগোষ্ঠী চালায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর নির্যাতন তারা ছুটে আসেন বাংলাদেশে। গঠিত হয় জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন। চলতি বছরের ২৪ আগস্ট কফি আনান তার তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট দাখিল করেন মায়ানমার সরকারে কাছে। এই রিপোর্ট দাখিল হওয়া মাত্র ২৫ আগস্ট থেকে আবারও মায়ানমার সরকার শুরু করে রোহিঙ্গা জাতিসত্বা নিধন। প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নাফ নদী পাড়ি দিয়ে আসতে থাকে বাংলাদেশে। পরিস্থিতি হয়ে পড়ে ভয়াবহ।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মানবতাকে দেন সর্বোচ্চ স্থান। মানবিক কারণে দেন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়, ছুটে যান চট্টগ্রামে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মাঝে। ঘোষণা করেন বাংলাদেশের জনগণ যদি একবার খায় তাহলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীও একবার খাবে। শুরু করেন আশ্রয় শিবির নির্মাণ ও ত্রাণ সামগ্রীদান।
অপরদিকে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় শুরু করেন কূটনৈতিক তৎপরতা, তার কূটনৈতিক তৎপরতায় মায়ানমারের কট্টোর সমর্থক চীন, রাশিয়া, ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও বাধ্য হয় কট্টোরতা ত্যাগ করতে। জাতিসংঘসহ বিশ্ব এগিয়ে আসে মানবতার পক্ষে, শান্তির পক্ষে। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বের জনগণ অভিহিত করেন শান্তির মশাল, শান্তির দূত, মানবতার রক্ষক বলে। যার একটি উদাহরণ সম্প্রতি এক রোহিঙ্গা নারী একটি কন্যা সন্তান জন্মদিয়ে সন্তানের নাম রেখেছেন হাসিনা। তার ভাষায় শান্তির  মশাল জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি এটি তার ক্ষুদ্র কৃতজ্ঞতা।
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত অং সান সু চি যখন মানুষ হত্যা করছেন ঘরে ঘরে অশান্তির সৃষ্টি করছেন , সে সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব জনগণকে শান্তির পতাকাতলে সমবেত করেছে। তাই বিশ্ব জনগণ তাঁকে শান্তির মশাল, শান্তির দূত বলে বরণ করে নিয়েছে আর আমরা আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘসহ নোবেল পুরস্কার কমিটির কাছে দাবি করছি বিশ্বশান্তি রক্ষায়, মানবতা রক্ষায় জননেত্রী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই মহান ভূমিকাকে সম্মান প্রদর্শনে তাকে ভূষিত করা হোক শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ।
আমরা আশা করি বিশ্ব নেতৃত্ব সর্বসম্মতভাবে আমাদের নেত্রী, বিশ্ব নেত্রী, শান্তির দূত শেখ হাসিনাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করে নিজেরাই হবেন জনগণ দ্বারা পুরস্কৃত।।

Developed by: