সর্বশেষ সংবাদ
সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সময় পেল পিবিআই  » «   এসডিসি কার্য্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  » «   মৌলভীবাজারের ৫ জনের যুদ্ধাপরাধের রায় যে কোনো দিন  » «   এরা এখনো বিশ্বাস করে না পৃথিবী গোল!  » «   সাগরে লঘুচাপ, হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস  » «   লাউয়াছড়ায় অবমুক্ত করা হয়েছে বিরল প্রজাতির লেজের ‘মোল’  » «   লন্ড‌নে এসিড হামলায় দু‌টি চোখ হারা‌লেন বাংলা‌দেশী তরুন  » «   জাফলংয়ে মাটি চাপায় কিশোরী নিহত, আহত ৪  » «   ক্লিনিক আর ডায়গনাস্টিক সেন্টারে সড়কজুড়ে যানজট  » «   কমরেড আ ফ ম মাহবুবুল হক আর নেই  » «   গোলাপগঞ্জে তেলবাহী লেগুনায় আগুন  » «   পিলখানা হত্যাকাণ্ড : হাইকোর্টের রায় ২৬ নভেম্বর  » «   লোদীর বাসায় মেয়র আরিফ: বিরোধের অবসান!  » «   নগরীতেে কোনদিন কোথায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ  » «   সৌদির বিরুদ্ধে লেবাননের যুদ্ধ ঘোষণা!  » «  

নিষ্ক্রিয় মনুষ্যত্ব ও সক্রিয় বর্বরতা



foxআবুল কাসেম ফজলুল :হকদুঃখজনক সত্য এই যে এই একবিংশ শতাব্দীতে বাংলাদেশ পথভ্রষ্ট হয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে, আস্তিকতা ও নাস্তিকতা নিয়ে সহিংস অন্তর্বিরোধে মগ্ন। বিরোধ রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে এবং রাজনীতিতে সক্রিয় বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে। তাতে আদর্শ ও ধর্ম যতটা আছে, তার চেয়ে বেশি আছে তাঁদের স্বার্থ। তাঁরা তাঁদের বিরোধকে জনসাধারণের মধ্যে বিস্তৃত করেছেন। অন্ধ ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মধ্যে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও আন্তর্জাতিকতাবাদের ধারণা হারিয়ে গেছে। ধর্মনিরপেক্ষতাপন্থী ও ইসলামপন্থী—উভয়পক্ষেরই দৃষ্টি পশ্চাৎমুখী। দুই পক্ষের মধ্যে স্বার্থ নিয়ে যে বিরোধ ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া চলছে, তার পরিণাম যাই হোক, তাতে জনগণের কোনো লাভ হবে না। তবে জনগণ হুজুগে মাতে, ভাঁওতায় সাড়া দেয়। ইতিহাসের চাকা পেছন দিকে ঘোরে। বাংলাদেশ তার রাজনীতি হারায়। বাংলাদেশের রাজনীতির অবস্থান কি বৃহৎ শক্তিবর্গের স্থানীয় দূতাবাসগুলোতে? ওয়াশিংটনের স্টেট ডিপার্টমেন্টে? দিল্লিতে? নির্বাচন কমিশন সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলোর (CSO) বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে নির্বাচনবিষয়ক আলোচনার সূচনা করল কেন? কোনো বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য? সংবিধানে কোনো সিএসওর কথা লেখা আছে? এনজিও ও সিএসওর পরামর্শে বাংলাদেশের রাজনীতির উন্নতি হচ্ছে? গণতন্ত্র মানে কি শুধু নির্বাচন? গতানুগতিক রাজনীতি নিয়ে বাংলাদেশ অবশ্যই সভ্যতা ও প্রগতির পথে উত্তীর্ণ হতে পারবে না।সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে যে যুক্তি প্রদর্শন ও কথা-কাটাকাটি চলছে, তা তো বাংলাদেশের রাজনীতির নিকৃষ্টতার ও নিম্নগামিতার নিশ্চিত প্রমাণ। হিংসা-প্রতিহিংসা কি শেষ হয়েছে? বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন সময় বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যেই পত্রপত্রিকায় দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়। এসব ঘটনা দ্বারা শুধু বিচারব্যবস্থার ও বিচারকদের দুর্বলতাই প্রকাশ পায় না—রাষ্ট্রব্যবস্থা ও রাজনীতির দুর্বলতাও প্রকাশ পায়। সুপ্রিম কোর্টের সাতজন বিচারকের বেঞ্চ সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে যে রায় দিয়েছেন ও রায়ে রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কে একান্ত প্রাসঙ্গিকভাবে যেসব মন্তব্য করেছেন, সেগুলো দ্বারা যদি আমাদের রাজনীতির অভ্যন্তরে আত্মসমালোচনার বোধ সৃষ্টি হতো ও আত্মশুদ্ধির অনুশীলন দেখা দিত, তাহলে সরকার, সব রাজনৈতিক দল ও জনগণের জন্য অশেষ কল্যাণের কারণ হতো। রাজনীতিতে আত্মসমালোচনা ও আত্মশুদ্ধির কি কোনো প্রয়োজন নেই?
প্রযুক্তির উন্নতি ও শ্রমশক্তির কল্যাণে দুনিয়াজুড়ে উৎপাদন ও সম্পদ বাড়ছে। কিন্তু সামাজিক ন্যায় কমছে, অন্যায় বাড়ছে। এটা বৈশ্বিক ব্যাপার। বাংলাদেশকে বাইরের দুনিয়া থেকে খারাপটা গ্রহণ করতে হবে—এমন কোনো শর্ত আছে? বাংলাদেশের রাজনীতি নিকৃষ্ট ও নিম্নগামী হওয়ার ফলে মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষদের ওপর জুলুম-জবরদস্তি সীমা ছাড়িয়ে গেছে। রাজনীতির নিম্নগামিতার ফলে এসবের প্রতিবাদ নেই, জনগণ সর্বাবস্থায় পরম সহিষ্ণুতার পরিচয় দিয়ে চলছে। আসলে দেশব্যাপী জনগণ মনোবলহারা, নিস্তেজ, ভাগ্যনির্ভর, জাতীয় হীনতাবোধে পীড়িত। এই রকম জনসাধারণকে শাসন করা খুব সহজ। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থাকে যে রূপ দেওয়া হয়েছে তাতে প্রাথমিক পর্যায়েই পরীক্ষার চাপে ছাত্র-ছাত্রীরা কৌতূহলহীন, অনুসন্ধিৎসাহীন, শিক্ষাবিমুখ হয়ে পড়ছে। কথিত সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতির মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়ে লাখে লাখে ছাত্র-ছাত্রী সৃজনশীল হচ্ছে। এটা নিশ্চিত যে এই সৃজনশীলতা নিয়ে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বই তারা পালন করতে সক্ষম হবে না। উচ্চশিক্ষার অবস্থা খুব খারাপ। সেক্রেটারিয়েট চালানোর জন্য বিদেশ থেকে লোক আনতে হবে। পরীক্ষাসর্বস্ব এই শিক্ষা আর নির্বাচনসর্বস্ব কথিত গণতন্ত্র—দুটিই বাংলাদেশের জন্য খুব বড় বিপদের কারণ। রাজনীতি নিঃরাজনীতিকৃত হয়ে গেছে। শুধু ক্ষমতার লড়াই আছে, নির্বাচন আছে—রাজনীতির সব বৈশিষ্ট্য বিলুপ্ত। জাতীয় সংসদের নির্বাচন করার সামর্থ্যও বাংলাদেশের নেই।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক চিন্তা নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনে সীমাবদ্ধ। সেই ১৯৮১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় থেকে সিএসও মহল ক্রমাগত নতুন নতুন বুদ্ধি নিয়ে রাজনীতির মাঠে আসছে। একসময় তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার আনয়নে রাজনৈতিক দলগুলোকে সুকৌশলে ব্যবহার করেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিয়ে কী সুফল হয়েছে? একসময় তারা যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন করেছে এবং তাদের তত্পরতার মধ্যে জরুরি অবস্থা হয়েছে। রাজনীতির উন্নতি কী হয়েছে? টক শো ও উপসম্পাদকীয় লেখায় যে চিন্তার পরিচয় পাওয়া যায় সাধারণত তা খুব গতানুগতিক। যে রকম রাজনীতি চলছে, এ রকম চিন্তা নিয়ে সেই রকম রাজনীতিই চলবে। গঠনমূলক চিন্তার প্রতি শিক্ষিত সমাজের আগ্রহ দেখা যায় না।
আমাদের রাজনীতির উন্নতি দরকার। সে জন্য নতুন রাজনৈতিক চিন্তা দরকার। গতানুগতিক রাজনীতি নিয়ে সামনে আমাদের বিপদ আছে। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষশক্তি দুর্বল হলে কিংবা বিলুপ্ত হয়ে গেলেই যে জনজীবনের অবস্থা ভালো হবে, তা কি বলা যায়? উন্নত অবস্থার জন্য যে উন্নত চিন্তা দরকার, তা শুধু টক শোতে আর দৈনিক পত্রিকার উপসম্পাদকীয়তে পাওয়া যাবে না। বইপত্রও দেখতে হবে। বাংলাদেশে প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির কোনো সাময়িকপত্র নেই। যেসব সাময়িকপত্র খুব ভালো চলছে সেগুলোতে চিন্তার চর্চা নেই।
প্রগতিশীল চিন্তা ও কর্মের অভাবে ও সাম্রাজ্যবাদী তত্পরতার কারণে ইতিহাসের চাকা পেছন দিকে ঘুরছে—মধ্যযুগের পরাজিত সব সংস্কার, বিশ্বাস ও ভাবধারা পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে। নৈরাজ্যবাদ ও শূন্যবাদ সামনে এসেছে। মানুষ এখন আর সংঘবদ্ধ হতে চায় না, রাজনৈতিক দল চায় না, একলা চলতে চায়, মানুষ individualistic, egocentric, egoistic, anarchist, lonely, weak, incapable, helpless. ক্ষমতা ও সম্পত্তি মানুষের পাশবিক বৈশিষ্ট্যকে প্রবল করে।
মানুষকে তার স্বভাব বদলাতে হবে। গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের নামে প্রগতিবিমুখতা ও অনাচার, সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধবিগ্রহ, তথ্য-প্রযুক্তির অপব্যবহার, মাদকদ্রব্যের প্রসার, নৈতিক পতনশীলতা, অসামাজিক কার্যকলাপ, নারী নির্যাতন, অর্থনৈতিক বঞ্চনা, জুলুম-জবরদস্তি, অপব্যবস্থা, দুর্নীতি ইত্যাদি সমস্যার সমাধান করতে হবে। প্রথমে তাত্ত্বিক মীমাংসা, তারপর বাস্তবের পরিবর্তন সাধন। জাতির বিবেকবান চিন্তাশীল ব্যক্তিদের বিবেচনার কেন্দ্রীয় বিষয় আজ হওয়া উচিত এসব সমস্যার সমাধান।
সর্বজনীন গণতন্ত্রের প্রয়োজনে গণতন্ত্রের চলমান ধারণা ও কার্যক্রম পরিহার্য, কায়েমি-স্বার্থবাদীদের কৃতিত্ব এই জায়গায় যে তারা গণতন্ত্রের এই ধারণা ও কার্যক্রম বহাল রেখে জনসাধারণকে হুজুগে মাতিয়ে স্বার্থ হাসিল করে নিতে পারছে। শ্রমিক-কৃষক মধ্যবিত্তদের ও ন্যায়কামী সবার কল্যাণে গণতন্ত্রকে নতুন রূপ ও প্রকৃতি দিতে হবে। সমাজতন্ত্রের ধারণাকে সমন্বিত করতে হবে অভীষ্ট সর্বজনীন গণতন্ত্রের ধারণার মধ্যে। নৈতিক চেতনার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। রাজনৈতিক দলে অবলম্বন করতে হবে নবসৃষ্টির ও নতুন রেনেসাঁর স্পিরিট। জাতিরাষ্ট্র, জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ গঠন করতে হবে দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের দ্বারা। দলকে জনসমর্থন অর্জন করতে হবে জনজীবনের আর্থসামাজিক-সাংস্কৃতিক উন্নতির কর্মসূচিভিত্তিক অঙ্গীকার ঘোষণা করে। এসবের জন্য নবচেতনা ও নতুন রাজনীতি লাগবে। রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে নৈতিক চেতনা, নৈতিক অনুশীলন ও নৈতিক উন্নতি অপরিহার্য। একনায়কত্ববাদী চিন্তা ও একনায়কত্ববাদী শাসন স্বেচ্ছাচারী হয়—জনদুর্ভোগের কারণ হয়।
পশ্চাত্বর্তী দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে আত্মশক্তির ওপর নির্ভর করে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো থেকে প্রগতিশীল জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি গ্রহণ করে শক্তিশালী হতে হবে। শক্তিশালী হওয়ার উপায় তাদের বের করতে হবে। উপনিবেশবাদী, সাম্রাজ্যবাদী, ফ্যাসিবাদী ধারা পরিহার করে চলতে হবে। ঐক্যহীন, নেতৃত্বহীন, দুর্বলরা শক্তিশালী হতে পারে, মহান লক্ষ্য নিয়ে, নিজেদের চেষ্টায়, নিজেদের মধ্য থেকে নিজেদের জন্য নেতৃত্ব সৃষ্টি করে এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে। ঐক্যহীন, নেতৃত্বহীন, লক্ষ্যহীন, কর্মসূচি ও কার্যক্রমহীন হয়ে দুর্বল থাকলে শোষণ-বঞ্চনা ভোগ করতেই হয়। দুর্বল থাকা অন্যায়। জাতিরাষ্ট্রের পুনর্গঠনের পাশাপাশি বিশ্বব্যবস্থাকেও পুনর্গঠন করতে হবে। প্রতিষ্ঠা করতে হবে আন্তরাষ্ট্রিক ফেডারেল বিশ্বসরকার। বিশ্বসরকার হবে জাতীয় সরকারগুলোর ঊর্ধ্বতন এক সরকার। তার কাজ সীমাবদ্ধ থাকবে আর্থসামাজিক-সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে আন্তরাষ্ট্রিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে, বিরোধ মীমাংসায়, যুদ্ধ যাতে না লাগে তার জন্য কাজ করায়, যুদ্ধ যদি লেগে যায় তাহলে আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোতে নিয়োজিত থাকা ও শান্তি রক্ষা করা। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সব কাজই করবে রাষ্ট্রীয় সরকার। বিশ্বসরকারের কাছে একটি সেনাবাহিনী রেখে সব রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করতে হবে। জাতিসংঘকে আন্তরাষ্ট্রিক ফেডারেল বিশ্বসরকারে রূপান্তরিত করা যেতে পারে। তা সম্ভব না হলে আন্তরাষ্ট্রিক ফেডারেল বিশ্বসরকার প্রতিষ্ঠার জন্য স্বতন্ত্রভাবে চেষ্টা করতে হবে।
বিশ্বায়ন ও বিশ্বব্যাংক নির্দেশিত পথ পৃথিবীর ৯৫ শতাংশ মানুষের জন্য বিপথ। বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সব রাষ্ট্রে অর্থনীতিবিদরা এই বিপথ অবলম্বন করে চলার দিকনির্দেশই দিয়ে থাকেন। দরিদ্র, দুর্বল রাষ্ট্রগুলোতে অর্থনীতিবিদদের চিন্তা ছাড়া অন্য কোনো চিন্তাই গুরুত্ব পায় না। এর ফল খারাপ হয়।

মানুষ যদি তার চিন্তাশক্তি ও কর্মশক্তিকে রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থার পুনর্গঠনে ও উন্নত জীবন প্রতিষ্ঠার কাজে নিয়োজিত করে তাহলে মাত্র তিন দশকের মধ্যে যে সুফল দেখা দেবে তা কল্পনা করাও এখন দুঃসাধ্য।
মানবজাতির অন্তর্গত পাশবিক শক্তি এখন জাগ্রত ও সক্রিয়, আর মানবিক শক্তি ঘুমন্ত ও নিষ্ক্রিয়। পৃথিবীতে আমরা চাই এর বিপরীত অবস্থা। আমরা চাই মনুষ্যত্বের জাগরণ ও সক্রিয়তা আর বর্বরতার পরাজয়।
(লেখক : রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তক)

Developed by: