সর্বশেষ সংবাদ
সুরমা নদীর তীর দখলে খোদ সিটি করপোরেশন  » «   কেন বাদ দেয়া হলো মুমিনুলকে?  » «   নাটকে একসঙ্গে তিন বন্ধু  » «   ৬ দিন হচ্ছে ঈদের ছুটি  » «   গোয়াইনঘাটের সাড়ে তিন লক্ষ মানুষ পানি বন্দি  » «   ‘নিহত জঙ্গি ছাত্র শিবির করতো, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হামলার পরিকল্পনা ছিল’  » «   প্রতিবছর লাখ লাখ শিশু হারিয়ে যায় কেন?  » «   পরিবহন জটিলতায় কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডে অচলাবস্থা  » «   গোলাপগঞ্জে যুবক অপহরণ, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ  » «   নৌকা যাদের ভরসা  » «   শাহ্জালাল মাজারে বখাটে কর্তৃক মহিলাদের হয়রানীর অভিযোগ  » «   রুবির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে পিবিআই  » «   সিলেটে ২ ছাত্রলীগ কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় ছাত্রশিবিরের বিবৃতি  » «   সিলেটে সবজির দাম বেড়েছে  » «   টিলা খেকোদের নিয়ন্ত্রনে সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তর  » «  

সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি তিন পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম



8প্রান্ত ডেস্ক:  উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত দুদিনের টানা বর্ষণে সিলেটের চার উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ননের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এসব এলাকার রাস্তা-ঘাট পানিতে তলিয়ে গিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এদিকে, সুরমা-কুশিয়ারা নদীর তিনটি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য মতে, শনিবার বিকেল ৩টায় কানাইঘাটে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ১১৬ সেন্টিমিটার, সিলেটে সুরমা নদী বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার এবং বিয়ানীবাজারে শেওলায় কুশিয়ারা নদী বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানিয়েছেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: মোফজেলুর রহমান মজুমদার।
বন্যা কবলিত চার উপজেলা হচ্ছে- কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট। বন্যার কারণে ভোলাগঞ্জ, বিছনাকান্দি, জাফলং ও লোভাছড়া পাথর কোয়ারীতে বন্ধ রয়েছে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম। ফলে বেকার হয়ে পড়েছেন এর সাথে জড়িত কয়েক হাজার শ্রমিক।
পাহাড়ি ঢলের কারণে সীমান্ত নদী পিয়াইন ও সারি নদীর পানি উপচে গোয়াইনঘাট উপজেলার বেশির ভাগ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিতে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট এবং সারি-গোয়াইনঘাট সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ কারণে সিলেট জেলা সদরের সাথে গোয়াইনঘাট উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। পানি উঠে যাওয়ায় শনিবার বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ ছিল।
এছাড়া সারি, বড়গাং নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় জৈন্তাপুরের নিচু গ্রামগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। তাছাড়া নদীগুলোর পানি বেড়ে যাওয়ায় হাওরাঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের বিশটি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে।
কানাইঘাটেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদ সীমার ১১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলার লোভা পাথর কোয়ারীতে পাথর উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। তাছাড়া বড়চতুল, লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ও পশ্চিম, রাজাগঞ্জ ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম বন্যাকবলিত হওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন নিচু এলাকার বাসিন্দারা। কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা সদর সংলগ্ন একটি রাস্তা ও কাঁঠালবাড়ি রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
সিলেট আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত সিলেটে ১১৭ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

Developed by: