সর্বশেষ সংবাদ
সুরমা নদীর তীর দখলে খোদ সিটি করপোরেশন  » «   কেন বাদ দেয়া হলো মুমিনুলকে?  » «   নাটকে একসঙ্গে তিন বন্ধু  » «   ৬ দিন হচ্ছে ঈদের ছুটি  » «   গোয়াইনঘাটের সাড়ে তিন লক্ষ মানুষ পানি বন্দি  » «   ‘নিহত জঙ্গি ছাত্র শিবির করতো, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হামলার পরিকল্পনা ছিল’  » «   প্রতিবছর লাখ লাখ শিশু হারিয়ে যায় কেন?  » «   পরিবহন জটিলতায় কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডে অচলাবস্থা  » «   গোলাপগঞ্জে যুবক অপহরণ, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ  » «   নৌকা যাদের ভরসা  » «   শাহ্জালাল মাজারে বখাটে কর্তৃক মহিলাদের হয়রানীর অভিযোগ  » «   রুবির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে পিবিআই  » «   সিলেটে ২ ছাত্রলীগ কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় ছাত্রশিবিরের বিবৃতি  » «   সিলেটে সবজির দাম বেড়েছে  » «   টিলা খেকোদের নিয়ন্ত্রনে সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তর  » «  

আইসিস জালে বাংলাদেশ!



newপ্রান্তডস্কে:আইসিস জঙ্গি নেটওয়ার্কে আবারও বাংলাদেশ। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর এক সাম্প্রতিক হলফনামায় বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, কথিত ওই আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের জঙ্গিরা বৃটেন ও বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ওই হলফনামায় বলা হয়েছে, প্রায় ৩০ জনের একটি দল আইসিসের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছিল। তারা একটি গ্লোবাল জিহাদি নেটওয়ার্কের অংশ ছিল, আর তাদের তৎপরতা ছিল বৃটেন থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এদের নেতা সাইফুল সুজন ছিলেন আইসিসের জ্যেষ্ঠ নেতা। ২০১৫ সালে এক বিমান হামলায় তিনি নিহত হন। চাঞ্চল্যকর এ খবরটি দিয়েছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। মার্কিন টিভি ফক্স নিউজ এফবিআইয়ের এ হলফনামাকে সাম্প্রতিক কালের অবমুক্ত করা এফিডেভিড হিসেবে উল্লেখ করেছে। বাল্টিমোরের আদালতে ওই হলফনামা পেশ করা হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়, আইসিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পে-প্যালের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে একজন কর্মীকে ব্যবহারে ভুয়া ই-বে লেনদেন দেখিয়েছিল। এফবিআইয়ের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে মুহাম্মদ ইয়াশিনকে ম্যারিল্যান্ডে এক বছরের বেশি সময় আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এ তথ্য গত বছর তৈরি করা একটি অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে ইয়াশিন স্বীকার করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলা চালাতে তাকে এই তহবিল ব্যবহার করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তা তিনি কখনও ব্যবহার করেননি। ওই ব্যক্তি জিহাদি গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করার দায়ে আদালতে অবশ্য তার দোষ স্বীকার করেন। হলফনামার তথ্যমতে, আইসিসের কাছ থেকে তিনি ৮ হাজার ৭০০ মার্কিন ডলার গ্রহণ করেছিলেন। এই টাকা দিয়ে তিনি একটি ল্যাপটপ, একটি সেলফোন এবং সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে একটি ভার্চুয়াল যোগাযোগ ডিভাইস কিনেছিলেন। একজন ই-বে মুখপাত্র বলেছেন, সন্ত্রাসীদের বিষয়ে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছেন। পে-পেলের মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন যে, তারা সন্ত্রাসীদের সম্ভাব্য লেনদেন রুখতে অব্যাহতভাবে সহযোগিতা দিচ্ছেন।

Developed by: