সর্বশেষ সংবাদ
সুরমা নদীর তীর দখলে খোদ সিটি করপোরেশন  » «   কেন বাদ দেয়া হলো মুমিনুলকে?  » «   নাটকে একসঙ্গে তিন বন্ধু  » «   ৬ দিন হচ্ছে ঈদের ছুটি  » «   গোয়াইনঘাটের সাড়ে তিন লক্ষ মানুষ পানি বন্দি  » «   ‘নিহত জঙ্গি ছাত্র শিবির করতো, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হামলার পরিকল্পনা ছিল’  » «   প্রতিবছর লাখ লাখ শিশু হারিয়ে যায় কেন?  » «   পরিবহন জটিলতায় কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডে অচলাবস্থা  » «   গোলাপগঞ্জে যুবক অপহরণ, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ  » «   নৌকা যাদের ভরসা  » «   শাহ্জালাল মাজারে বখাটে কর্তৃক মহিলাদের হয়রানীর অভিযোগ  » «   রুবির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে পিবিআই  » «   সিলেটে ২ ছাত্রলীগ কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় ছাত্রশিবিরের বিবৃতি  » «   সিলেটে সবজির দাম বেড়েছে  » «   টিলা খেকোদের নিয়ন্ত্রনে সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তর  » «  

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে পাত্তা দিচ্ছে না উত্তর কোরিয়া



11প্রান্ত ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি, সতর্কতা পাত্তাই দিচ্ছে না উত্তর কোরিয়া। উল্টো তারা ট্রাম্পের হুমকিকে ‘লোড অব ননসেন্স’ বা বাজে বকবকানি বলে আখ্যায়িত করেছে। তার চেয়ে বড় কথা, ট্রাম্পের আগুনে হুঁশিয়ারির পরও উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে থাকা গুয়াম দ্বীপের কাছে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। আজ বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়া বলেছে, তারা এ মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছুড়বে। ফলে আর সময় বেশি নেই। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ছোড়া হতে পারে ওই ক্ষেপণাস্ত্র। জাপানের ওপর দিয়ে হোয়াসং-১২ ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে গিয়ে আছড়ে পড়বে গুয়ামের কাছাকাছি। উত্তর কোরিয়ার রকেট কমান্ডের প্রধান এমন একজন জেনারেল এমন ঘোষণা দিয়েছেন বলে বলা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গুয়াম হলো যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি বড় ধরনের ঘাঁটি। যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বাহিনীর ঘর বড় হয় গুয়ামকে। ছোট্ট এই দ্বীপটির চারদিকে পানি। সেখানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ৭ হাজার সদস্য। আছে দুটি প্রধান ঘাঁটি। আর আছে দেশটিতে এক লাখ ৬০ হাজার মানুষের বসতি। এখন সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া উত্তর কোরিয়ার জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে এক্ষেত্রে তাদের নেতা কিম জং উনের অনুমোদন প্রয়োজন। তিনি যখনই ছুড়তে বলেন তখনই ছোড়া হবে ক্ষেপণাস্ত্র। বলা হয়েছে, গুয়াম দ্বীপ থেকে ৩০ বা ৪০ কিলোমিটার দূরত্বে পানিতে গিয়ে আঘাত করবে এ ক্ষেপণাস্ত্র। তবে সত্যিই উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের ভূখন্ডের এত কাছাকাছি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঝুঁকি নেবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। যদি এমনটা সত্যিই করে বসে উত্তর কোরিয়া তাহলে তার জবাব কি হবে যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায় নি। এখন পর্যন্ত দুটি দেশের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। পাল্টাপাল্টি আক্রমণ শাণানো হচ্ছে। দৃশ্যত কার চেয়ে কে আক্রমণাত্মক কথা বেশি বলতে পারেন যেন তারই প্রতিযোগিতা চলছে। তবে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিকভাবে সৃষ্ট উত্তেজনা নিরসনেরও কিন্তু চেষ্টা চলছে। এক্ষেত্রে চীন, মিয়ানমারকে ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষকে নিবৃত থাকার আহ্বান জানিয়েছে চীন। সত্যি উত্তর কোরিয়া গুয়ামে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কি তার আগুনে (ফায়ার এন্ড ফিউরি) জবাব দেবেন! এর পরিণতি দেখতে হলে আরো কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

Developed by: