সর্বশেষ সংবাদ
রাজ-শুভশ্রী এক বাঁধনে  » «   বাংলাদেশ নতুন যুগে প্রবেশ করেছে : প্রধানমন্ত্রী  » «   আগাম বন্যার আশঙ্কা  » «   ঈদে আসছে ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’  » «   বজ্রপাতে একদিনে সারাদেশে ৩০ জনের মৃত্যু  » «   জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের ইন্তেকাল  » «   জাতিসংঘ মিশন : সিলেটের ২০০ স্বপ্নবাজ তরুণের নেতৃত্বে হাওরসন্তান সোহাগ  » «   বিয়ানীবাজারে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার  » «   বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন সোনম কাপুর আর আনন্দ আহুজা  » «   এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষন শুরু : একাদশে ভর্তি ১৩ মে থেকে  » «   ষাঁড়ের গুতোয় কৃষকের মৃত্যু  » «   পা-ই তার সাফল্যের চাবিকাটি  » «   গাছ ভেঙে পড়ায় সিলেটের সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ  » «   এসএসসিতে সিলেটে পাস ৭০.৪২% : জিপিএ-৫ ৩১৯১ জন  » «   নিয়োগ চলছে কামা পরিবহন (প্রা. লি.)-এ।  » «  

সিলেটে সবজির দাম বেড়েছে



16স্টাফ রিপোর্টার: প্রচুর সরবরাহ থাকা সত্বেও সিলেটে কাঁচাবাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সবজি। বেশির ভাগ সবজির কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ১০-১৫ টাকা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার অজুহাত দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে এভাবেই। সিলেটের বন্দরবাজার, লালাবাজার, সুবিদবাজর, মদিনা মার্কেট, আম্বরখানা, টিলাগড়, রিকাবীবাজার, কাজির বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, বেগুন, বরবটি, কাঁকরোল, করলার দাম ৫০ টাকা বা তারও বেশি। আবার বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে আলাদা আলাদা দামেও। বন্দরবাজার কাঁচাবাজারের বিক্রেতা সাহেদ মিয়া জানান, প্রতি কেজি কাঁকরোল, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, বরবটি ও বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে। এসব সবজি সপ্তাহ দুয়েক আগেও বিক্রি হতো ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। তিনি জানান, বৃষ্টির কারণে দাম বেড়েছে। বেশি বৃষ্টি হলে সিলেটে সবজি আসে কম। এ বাজারে পেঁপে, শসা ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়।   রিকাবীবাজার সবজি বিক্রি হচ্ছে আরো বেশি দামে। আমির হোসেন নামের এক বিক্রেতা মাঝারি সাইজের লাউ বিক্রি করছেন ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। ৪৫ টাকা কেজিতে বেগুন, ৫৫ টাকায় কাঁকরোল ও বরবটি, কচুর মুখি ও শসা ৪০ এবং পটোল ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সেখানে। দাম হঠাৎ এত বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন বর্ষার মৌসুম। এ সময় সবজির উত্পাদন কম হয়। এ কারণে দাম বেশি। একটি রাইস মিলে ৮ হাজার টাকা বেতনে কাজ করেন আমিনুল মিয়া। বাজার করছিলেন নগরীর পশ্চিম কাজির বাজারে। তিনি জানান, চারজনের সংসারে এই টাকায় এমনিতেই টানাটানি। আগে যে টাকায় পুরো মাসের বাজার করতাম, এখন তা দিয়ে ২০ দিনের বাজারও হয় না। জিনিসপত্রের যে দাম। বাজার করতে আসা সাজ্জাদ হোসেনের ক্ষোভ, ‘অজুহাত পেলেই তারা দাম বাড়িয়ে দেয়; কিন্তু সহজে কমায় না। পত্রিকায় দেখি বিভিন্ন অঞ্চলের চাষি দাম পায় না। আর সিলেটে তো ৫০ টাকার নিচে সবজিই পাওয়া যায় না। ’ আরো কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাল, সবজি, মাছ, মাংস থেকে শুরু করে সব ধরনের পণ্যের দামই এখন বেশি। সাধারণ মানুষকে নিত্যদিনের খাদ্যের চাহিদা মেটাতে অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে। বাজারে কোন পণ্য সর্বোচ্চ কত দামে বিক্রি করা যাবে সে ধরনের কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় ইচ্ছামতো মুনাফা করছে ব্যবসায়ীরা। এর জন্য বাজারগুলোতে মনিটরিং বাড়ানো দরকার বলে মনে করছে ক্রেতারা। এছাড়া পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ৪০ টাকা। আর কাঁচা মরিচের কেজি এখন ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। যদিও গত সপ্তাহে কাঁচা মরিচের দাম উঠেছিল ১৬০ টাকায়। কাঁচা মরিচের পাইকারি বিক্রেতা মো. সোহেল জানান, একেক অঞ্চলে একেক সময় মরিচ ওঠে। এখন রাজশাহী, নওগাঁ ও চট্টগ্রামের আড়ত থেকে আসছে। নরসিংদীর মরিচ শেষ দিকে। কিছুদিনের মধ্যে কুষ্টিয়ার মরিচ পুরোদমে তোলা শুরু হয়ে যাবে, তবে সেটার দাম বেশি থাকবে। শীতের আগে কাঁচা মরিচের দাম না কমে বরং বাড়বে বলে জানালেন তিনি।

Developed by: