সর্বশেষ সংবাদ
রাজ-শুভশ্রী এক বাঁধনে  » «   বাংলাদেশ নতুন যুগে প্রবেশ করেছে : প্রধানমন্ত্রী  » «   আগাম বন্যার আশঙ্কা  » «   ঈদে আসছে ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’  » «   বজ্রপাতে একদিনে সারাদেশে ৩০ জনের মৃত্যু  » «   জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের ইন্তেকাল  » «   জাতিসংঘ মিশন : সিলেটের ২০০ স্বপ্নবাজ তরুণের নেতৃত্বে হাওরসন্তান সোহাগ  » «   বিয়ানীবাজারে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার  » «   বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন সোনম কাপুর আর আনন্দ আহুজা  » «   এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষন শুরু : একাদশে ভর্তি ১৩ মে থেকে  » «   ষাঁড়ের গুতোয় কৃষকের মৃত্যু  » «   পা-ই তার সাফল্যের চাবিকাটি  » «   গাছ ভেঙে পড়ায় সিলেটের সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ  » «   এসএসসিতে সিলেটে পাস ৭০.৪২% : জিপিএ-৫ ৩১৯১ জন  » «   নিয়োগ চলছে কামা পরিবহন (প্রা. লি.)-এ।  » «  

ভবন নির্মানে অনিয়ম দুর্নীতি: হেলে পড়েছে বিয়ানীবাজার রাজাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়



13স্টাফ রিপোর্টার: নির্মানের ১বছর যেতে না যেতেই হেলে পড়ছে বিয়ানীবাজার উপজেলার রাজাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। নতুন এই স্কুল ভবনটি প্রতিদিনই কেবল দাপছে এবং অনেক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। যেকোন মুহুর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীদের অভিবাবকরা। এজন্য অনেক অভিবাবক তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে সাহস পাচ্ছেন না। সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্ধ, সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা বেশ কয়েকবার রাজাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেবে যাওয়া  ভবনটি পরিদর্শন করেছেন। উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে পুরাতন ঘরে বর্তমানে বিদ্যালয়ের কায্যক্রম চালছে। কিন্তু ভবন নির্মানে অনিয়মের সাথে জড়িত ঠিকাদার ও প্রকৌশলির বিরোদ্ধে কার্যত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সরকার ২বছর আগে ১৫০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নে বিশেষ একটি প্রকল্প হাতে নেন। সেই লক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিয়ানিবাজার উপজেলার রাজাপুর সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়টিকে সরকারীকরন এবং নতুন স্কুল ভবন নির্মান করে। নতুন বিদ্যালয় ভবনটিতে গত বছর ১ম থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত ক্লাস শুরু হয়। কিন্তু ২-৩মাস যেতে না যেতে ভবনটি আস্তে আস্তে ধাভতে থাকে এবং ভিবিন্ন স্থানে ফাটল ধরে। সম্প্রতি বিদ্যালয় ভবনটি অস্বাভবিক ভাবে দেবে গেলে ফাটল ধরলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের মাঝে চরম আতংক চড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও প্রথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্ধ বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তারা এই ভবনে ক্লান না নিতে শিক্ষকদের নির্দেশ দেন। অভিযোগ উঠেছে নিচু এলাকার মাটি ভরাট করে কোন ধরনের পাইলিং ছাড়া এ ভবনের পিলার ও লিন্টার তোলা হয়েছে। এছাড়া নিম্নমানের রড, বালু, সিমেন্ট ব্যবহার এবং পরিমানে কম দেওয়ায় নির্মানের পরপর ভবনটিতে ত্রুটি দেখা দেয়। শিক্ষা প্রকৌশলী বা দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা পরিদর্শনে গেলে ঠিকাদার তাদের উৎকোচ দিয়ে ম্যানেজ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অনেকে বলেছেন ঠিকাদার ভবনের পিলারে রডের বদলে অনেক স্থানে বাঁশ ব্যবহার করায় বর্তমানে  ভবনটি ধেভে যাচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কিংবা শিক্ষা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কার্য্যত কোন ব্যবস্থা না করায় অভিবাবক মহলে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বিষয়টির প্রতি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং প্রাথমিক ও গন শিক্ষা মন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

Developed by: