সর্বশেষ সংবাদ
ফেসবুক বন্ধের দাবি জানালেন এরশাদ  » «   বিয়ানীবাজারে সড়ক সংস্কারের দাবিতে অবরোধ  » «   সিলেটের ফুটপাত কাদের দখলে, নেপথ্যে কারা?  » «   নখের এই অর্ধচন্দ্র স্বাস্থ্যের যা ইঙ্গিত করে  » «   শাহজালাল রহ. মাজারে দুই শিশুকে রেখে ‘বাবা’ উধাও  » «   ট্রাম্পকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানালেন হাসিনা  » «   মৌলভীবাজারে কলেজছাত্রী হত্যা: পরিকল্পনায় ‘চার প্রেমিক’  » «   চাঁদার দাবিতে অশ্লীল ভিডিও ধারণ: তরুণীসহ ৫ যুবক আটক  » «   সিলেটে ২৯ লাখ টাকা চেক জালিয়াতির চেষ্টা পণ্ড, ২ প্রতারক আটক  » «   রমজান উপলক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মতবিনিময় সভা  » «   ছাতকে ৩১৯ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার  » «   শাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সহ তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা  » «   বিশ্বনাথের হত্যা মামলার আসামি কিশোরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার  » «   ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসকদের মানববন্ধন  » «   দেশে কত ধর্ষক?  » «  

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ই-ভোটিং চান প্রধানমন্ত্রী



80856প্রান্ত ডেস্কঃ সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য বর্তমানে বিরাজমান সব বিধি-বিধানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ই-ভোটিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জনমানুষের ভোটাধিকার অধিকতর সুনিশ্চিত করার স্বার্থে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেই ‘ই-ভোটিং’ এর প্রবর্তন করার পরিকল্পনাও বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে।

এ সময় নির্বাচন কমিশন গঠনে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের এখন থেকেই কাজ শুরুর নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচন কমিশন গঠন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ দেন। সংবিধানের আলোকে রাষ্ট্রপতি যেমন উপযুক্ত বিবেচনা করেন, সেই প্রক্রিয়ায় তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সম্পন্ন করেন।

তিনি বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান সাংবিধানিক পদের অধিকারীদের সমন্বয়ে গঠিত সার্চ কমিটির মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনার নিয়োগ প্রথা চালু করেন। এবারও বাছাই কমিটির মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার নিজ প্রজ্ঞায়, স্বীয় বিবেচনায় ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করেছেন। রাষ্ট্রপতির সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সুগভীর প্রজ্ঞা ও সুবিবেচনার প্রতি আমাদের পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে।

ইসি গঠনে আইন করার বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে একটি উপযুক্ত আইন প্রণয়ন করা হোক। সংবিধানের নির্দেশনার আলোকে এখন থেকেই সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ নতুন ইসি শপথ গ্রহণ করেছেন। তাদের সবাইকে আমি অভিনন্দন জানাই। পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশনে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্বাচন কমিশনার হিসেবে একজন নারীকে নিয়োগ দেয়ায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত।

Developed by: