সর্বশেষ সংবাদ
ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি : ঘোষণা উপজেলার, বাতিল জেলার  » «   ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল কাদিরের মায়ের ইন্তেকাল  » «   রণবীর-দীপিকা বিয়ে নভেম্বরে?  » «   যাদুকর ম্যারাডোনার পায়ের অবস্থা করুণ  » «   একটু আগেবাগেই শীতের আগমণ  » «   চট্টগ্রামে আইয়ুব বাচ্চুর জানাযা বাদ আছর  » «   রাবণ পোড়ানো দর্শনকারী ভিড়ের উপর দিয়ে ছুটে গেলো ট্রেন : নিহত ৬০  » «   গোলাপঞ্জে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী  » «   বিসর্জনের দিন সিলেটে আসনে ‘দেবী’  » «   বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে মেয়র আরিফ  » «   সিলেটে স্বয়ংক্রিয় কৃষি-আবহাওয়া স্টেশন স্থাপিত  » «   শীতে ত্বক সজীব রাখতে শাক-সবজি খান  » «   সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সংস্কার হচ্ছে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে  » «   কোম্পানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযানে পেলোডার মেশিন জব্দ  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনে সরকারকে নোটিশ  » «  

বগুড়া-৭ আসনে প্রার্থী হতে পারেন জোবাইদা?



12b3e9e99dd7d973bc3fdf8ac68d0c3e-5bbee480a436d
প্রান্ত ডেস্ক
গাবতলী ও শাজাহানপুর উপজেলা নিয়ে বগুড়া-৭ আসনটি বিএনপির কাছে জিয়া পরিবারের আসন হিসেবেই পরিচিত। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে এখানে ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে খালেদা জিয়া কিংবা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রার্থী হবেন। তবে আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় নির্বাচনে অংশ নিতে আইনি সমস্যা হলে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে তারেকপত্নী জোবাইদা রহমানকে দেখতে চান বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
জানা গেছে, ১৯৯১,১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসনে নির্বাচিত হয়েছেন খালেদা জিয়া। তবে প্রতিবারই আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচন হয়েছে। সেখানেও ধানের শীষের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। তিনটি উপনির্বাচনে সাংসদ হন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু। ২০০৯ সালের উপনির্বাচনে সাংসদ হন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।
২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। আসন ভাগাভাগিতে জাপাকে (এরশাদ) ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ। ফলে জাপার প্রার্থী মুহাম্মাদ আলতাফ আলীর সঙ্গে জেপির (মঞ্জু) প্রার্থী আমিনুল ইসলামের লড়াই হয়। নির্বাচনের দিনে ৮৮টি কেন্দ্রে হামলা হয়। পরে স্থগিত কেন্দ্রে নিরুত্তাপ ভোটে মুহাম্মাদ আলতাফ আলী জয়ী হন।
এদিকে, বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলছেন, এই মুহূর্তে জিয়া পরিবারের বিকল্প অন্য কাউকে প্রার্থী হিসেবে দেখছেন না তাঁরা। খালেদা বা তারেকই এখানে প্রার্থী হবেন। তবে শেষ পর্যন্ত তা না হলে উত্তরসূরি হিসেবে জোবাইদা রহমানকে প্রার্থী চান তাঁরা।
গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোরশেদ মিলটন বলেন, তাঁরা এখনো আশাবাদী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানই এখানে প্রার্থী হবেন। তবে সরকার কূটকৌশলে তাঁদের নির্বাচনের বাইরে রাখার ষড়যন্ত্রে সফল হলে জোবাইদা রহমানকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান ভোটাররা। শেষ পর্যন্ত জিয়া পরিবারের আসনে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত জিয়া পরিবার নেবে।
দলীয় নেতা-কর্মীরা বলেন, ২০০৯ সালের ২ এপ্রিল উপনির্বাচনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদকে মনোনয়ন দিয়ে এখানে ‘অতিথি সাংসদ’ করা হয়েছিল। যদিও মওদুদ নিজের নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে হেরে যান। সাংসদ হওয়ার পর এলাকায় খুব একটা আসেননি মওদুদ। ‘বেফাঁস’ কথা বলায় তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হন নেতা-কর্মীরা। তাঁর কারণে দলে দ্বিধাবিভক্তি হয়েছিল। তাঁকে নির্বাচনী এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। এবার কোনোভাবেই ‘অতিথি প্রার্থী’ মানবেন না তাঁরা। আগামী নির্বাচনে জিয়া পরিবারের হয়ে কে লড়ছেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা–কল্পনা।
সাবেক সাংসদ হেলালুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘জিয়া পরিবারের নির্দেশে তিনটি উপনির্বাচনে আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। আগামী নির্বাচনে ম্যাডাম বা তারেক রহমানই প্রার্থী হবেন। শেষ পর্যন্ত কোনো কারণে তা না হলে জোবাইদা রহমানই বিকল্প প্রার্থী হবেন।’

Developed by: