সর্বশেষ সংবাদ
ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি : ঘোষণা উপজেলার, বাতিল জেলার  » «   ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল কাদিরের মায়ের ইন্তেকাল  » «   রণবীর-দীপিকা বিয়ে নভেম্বরে?  » «   যাদুকর ম্যারাডোনার পায়ের অবস্থা করুণ  » «   একটু আগেবাগেই শীতের আগমণ  » «   চট্টগ্রামে আইয়ুব বাচ্চুর জানাযা বাদ আছর  » «   রাবণ পোড়ানো দর্শনকারী ভিড়ের উপর দিয়ে ছুটে গেলো ট্রেন : নিহত ৬০  » «   গোলাপঞ্জে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী  » «   বিসর্জনের দিন সিলেটে আসনে ‘দেবী’  » «   বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে মেয়র আরিফ  » «   সিলেটে স্বয়ংক্রিয় কৃষি-আবহাওয়া স্টেশন স্থাপিত  » «   শীতে ত্বক সজীব রাখতে শাক-সবজি খান  » «   সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সংস্কার হচ্ছে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে  » «   কোম্পানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযানে পেলোডার মেশিন জব্দ  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনে সরকারকে নোটিশ  » «  

পারেনি বাংলাদেশ



1531
প্রান্ত ডেস্ক
টাইগাররা গল্প লিখতে শুরু করেছিলো জয়ের, কিন্তু হয়নি।  সপ্তম বারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপাটা শেষ পর্যন্ত জিতে নিয়েছে ভারত। তবে শুক্রবার দুবাইয়ের ফাইনালে শক্তিধর ভারতকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেই ঠেলে দিয়েছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চাপে রেখেছিল ভারতকে। চাপে থাকার কথাটা অকপটে স্বীকার করেছেন রোহিত শর্মাও। সঙ্গে ভারত অধিনায়ক কৃতিত্বও দিয়েছেন বাংলাদেশ দলকে।
লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ দুর্দান্ত শুরু এনে দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে। ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনো করে প্রথম ১০ ওভারেই তুলে নেন ৬৫ রান। শেষ পর্যন্ত উদ্বোধনী জুটিতেই ২০.৫ ওভারে ১২০ রান। ভারতীয়রা চরম চাপের মধ্যেই ছিল তখন। কিন্তু এরপরই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। যার ফলে ৪৮.৩ ওভারে মাত্র ২২২ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
মানে দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটির পর মাত্র ১০২ রানে ১০ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এই ১০২ রান আবার আসে শেষ ২৭.২ ওভারে! তবে স্বল্প এই পুঁজি নিয়েও অবিশ্বাস্য লড়াই করেছেন বোলাররা। দাঁতে দাঁত কামড়ে লড়ে ভারত জয় তুলে নিয়েছে ইনিংসের শেষ বলে।
দুর্দান্ত এই লড়াই করার জন্য ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলকে কৃতিত্ব দিতে কার্পণ্য করেননি রোহিত, ‘বাংলাদেশ দলকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। তারা দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে। বিশেষ করে প্রথম ১০ ওভারে আমাদের রীতিমতো কোনঠাসা করে রেখেছিল। তবে আমরা জানতাম, বল পুরোনো হলেই স্পিনাররা আমাদের ম্যাচে ফেরাবে। তাদের চেপে ধরাটা দারুণ ছিল এবং ক্রমাগতভাবে সেই চাপটা ধরে রাখাটাই আমাদের ম্যাচে রেখেছিল।’
রোহিত বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য বোলিংয়ের কথা স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। তবে ভারতের ব্যাটসম্যানরা যে দাঁত দাঁত কামড়ে লড়ে শেষ পর্যন্ত জয়ের বন্দরে পৌঁছেছে, সেটা উল্লেখ করেছেন। এক পর্যায়ে ১৬৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল ভারত। সেখান থেকে ভারতকে জয় পর্যন্ত নিয়ে গেছেন লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানরা।
রোহিত তাই নিজেদের ব্যাটসম্যানদের প্রানপণ লড়াইয়ের প্রশংসা করেছেন। আর তার সেই সেই প্রশংসাতেই ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের দুর্দান্ত বোলিংয়ের চিত্রটি, ‘আমরা পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছি। এই শিরোপাটা আমাদের কঠোর পরিশ্রমেরই ফসল। এটা আমাদের প্রাপ্যই। পুরো টুর্নামেন্টেই আমরা আধিপত্য দেখিয়েছি। এই শরোপাটা তারই পুরস্কার। এমন ম্যাচ হতেই পারে। আর এমন টানটান উত্তেজনাকর ম্যাচ আমি আগেও খেলেছি। তবে ছেলেদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। চাপকে জয় করতে পেরেছি। দাঁতে দাঁত কামড়ে লড়ে জয়ে পৌঁছানোটা ছিল সত্যিই অসাধারণ। এমন জয় সত্যিই অনেক বেশি আনন্দের।’
আফসোস সেই আনন্দটা বাংলাদেশ করতে পারল না।

Developed by: