সর্বশেষ সংবাদ
বিসর্জনের দিন সিলেটে আসনে ‘দেবী’  » «   বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে মেয়র আরিফ  » «   সিলেটে স্বয়ংক্রিয় কৃষি-আবহাওয়া স্টেশন স্থাপিত  » «   শীতে ত্বক সজীব রাখতে শাক-সবজি খান  » «   সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সংস্কার হচ্ছে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে  » «   কোম্পানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযানে পেলোডার মেশিন জব্দ  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনে সরকারকে নোটিশ  » «   স্যুটকেসের ভিতরে নারী মডেলের মৃতদেহ  » «   ভারতীয় অর্থায়নে বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে সিসিক মেয়র ও ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার  » «   মেসিবিহীন আর্জেন্টিনাকে হারালো ব্রাজিল  » «   নিজ গ্রামে সিলেট-৩ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আ.লীগ নেতা মনির হোসাইনের মতবিনিময়  » «   বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ট্রফি আজ বাংলাদেশে আসছে, সিলেটে শুক্রবার  » «   সিলেট-৩ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী শিক্ষাবিদ ও আইনজীবি মনির হোসাইনের মতবিনিময় আজ  » «   জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ২৯ অক্টোবর  » «   সনাতন ধর্মালম্বীদের আজ মহাসপ্তমী  » «  

বিদ্রোহী কবির ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ



63346
প্রান্ত ডেস্ক
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ(সোমবার) ১২ ভাদ্র। দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, সংগঠন নানা কর্মসূচি নিয়েছে।
প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত কবি কাজী নজরুল ইসলাম। দ্রোহ, প্রেম, সাম্য, মানবতা ও শোষিত বঞ্চিত মানুষের মুক্তির বার্তা নিয়ে এসেছিলেন তিনি। মূলত তিনি বিদ্রোহী কবি বলে খ্যাত। একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সম্পাদক এমনকি রাজনীতিবিদ ও সৈনিক হিসেবে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নজরুল ছিলেন সোচ্চার।
বাংলা ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ ( ২৪ মে, ১৮৯৯) বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে কবি কাজী নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম দুখু মিয়া।
প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মীয়। তার বিচিত্র জীবনে স্থানীয় এক মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবেও ছিলেন তিনি। রুটির দোকানেও কাজ করেন তিনি। অসংখ্য কবিতা ও গান রচনা করেন। আঠার বছর বয়সে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কিছুদিন কাজ করার পর সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। এক সময় তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অবতীর্ণ হন। এ সময় তিনি রচনা করেন ‘ব্রিদ্রোহী’ ও ‘ভাঙার গান’ কবিতা। এক সময় তিনি জেলে বন্দি হন। জেল বন্দি অবস্থায় তিনি লেখেন ‘রাজবন্দীর জবানবন্দি’।
কাজী নজরুলের লেখনি জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে। তার কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তার গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশে তার বসবাসের ব্যবস্থা করেন। ধানমন্ডিতে কবির বসবাসের জন্য একটি বাড়ি প্রদান করেন তিনি। মধ্য বয়সে তিনি রোগাক্রান্ত হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।
দীর্ঘকাল অসুস্থ থাকার পর কবি ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ( ১২ ভাদ্র ) ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে দাফন করা হয়।

Developed by: