সর্বশেষ সংবাদ
ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি : ঘোষণা উপজেলার, বাতিল জেলার  » «   ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল কাদিরের মায়ের ইন্তেকাল  » «   রণবীর-দীপিকা বিয়ে নভেম্বরে?  » «   যাদুকর ম্যারাডোনার পায়ের অবস্থা করুণ  » «   একটু আগেবাগেই শীতের আগমণ  » «   চট্টগ্রামে আইয়ুব বাচ্চুর জানাযা বাদ আছর  » «   রাবণ পোড়ানো দর্শনকারী ভিড়ের উপর দিয়ে ছুটে গেলো ট্রেন : নিহত ৬০  » «   গোলাপঞ্জে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী  » «   বিসর্জনের দিন সিলেটে আসনে ‘দেবী’  » «   বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে মেয়র আরিফ  » «   সিলেটে স্বয়ংক্রিয় কৃষি-আবহাওয়া স্টেশন স্থাপিত  » «   শীতে ত্বক সজীব রাখতে শাক-সবজি খান  » «   সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সংস্কার হচ্ছে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে  » «   কোম্পানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযানে পেলোডার মেশিন জব্দ  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনে সরকারকে নোটিশ  » «  

আগাম বন্যার আশঙ্কা



image-29801-(1)
বিশেষ প্রতিনিধি
দেশে এবারও আগাম বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বর্ষার আগেই তুমুল বর্ষণের কারণে বন্যার আভাস দেখছেন আবহাওয়াবিদরা।ইতোমধ্যেই উজানের ঢল এবং বৃষ্টিপাতের ফলে দেশের প্রধান প্রধান নদীগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে পানি। তার মধ্যে সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারা, শেওলা, মনু, খোয়াই, সুতং, কংস, কালনী, বাউলাই নদীর পানি বইছে বিপদসীমার ওপরে।
দেশের প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা এখনো বিপদের আভাস না দিলেও চলমান বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কয়েকদিনের মধ্যে এখানেও পানি বিপদসীমা স্পর্শ করবে। তার মধ্যে উজানের ঢল নামলে দেশের প্রতিটি নদীই কমবেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে গত মাসেই ৩৫ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টিপাতের এ মাত্রা অব্যাহত থাকবে। ফলে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মৌসুমি বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি উজানে ভারী বর্ষণের কারণেও বন্যার শঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষের দিকে অতিবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলো প্লাবিত হতে পারে বন্যায়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে হাওরাঞ্চল। হাওরাঞ্চলে পাকা ধানের প্রায় আশি শতাংশেরও বেশি কাটা হয়ে গেছে বলে সরকারের তরফ থেকে জানানো হলেও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন অব্দি ৫০ শতাংশের মতো ধান কাটা হয়েছে। অতিবৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে কৃষকরা মাঠে ধান কাটতে পারছেন না। এমনকি ধান কাটার মজুরও পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক জায়গায় পাকা ধান পড়ে রয়েছে। এ অবস্থায় আকস্মিক বন্যা বা নদীর পানিতে ফসলি জমি প্লাবিত হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন কৃষকরা। একই সঙ্গে এর প্রভাব পড়বে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতেও।
যদিও আগাম বন্যা বা যে কোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। গত ১ মে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় জানানো হয় ভারী বর্ষণের কারণে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সিলেট, সুনামগঞ্জসহ হাওরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় গত দুই মাস ধরে সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান মন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে সতর্কবার্তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানোর কথাও জানান তিনি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ ওই সভায় জানান, বন্যা-পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বর্তমানে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন ভারতের পূর্বাঞ্চলের প্রদেশগুলোয় আবহাওয়ার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রদেশ মেঘালয় ও আসামের বিভিন্ন স্থানেও ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা রয়েছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ এলাকায় অবস্থান করছে। উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ বিরাজমান রয়েছে। এ অবস্থায় দেশে বন্যার আশঙ্কা মাথায় রেখেই সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র জানায়, বন্যাপ্রবণ এ দেশে প্রতিবছরই প্লাবিত হয় দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির পরও বন্যার মতো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে। বিশেষ করে নদী ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলো নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে বলছেন বাঁধ মজবুত হলেও ঢলের তোড়েই বেশিরভাগ সময় বাঁধ ভেঙে যায়। এবারও একই আশঙ্কা কৃষকদের। চলতি মাসের শেষের দিকে বন্যার আশঙ্কার কথা বলা হলেও দেশের হাওরাঞ্চলে ইতোমধ্যেই পাহাড়ি ঢলের পানি নদীতে ঢুকতে শুরু করেছে।
বাঁধ ভেঙে প্লাবনের আশঙ্কা সুনামগঞ্জে :
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি শহীদ নূর আহমেদ জানিয়েছেন, টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুরমাসহ সুনামগঞ্জের বিভিন্ন নদ-নদীতে পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। টানা বৃষ্টিতে অস্বাভাবিকভাবে পানিবৃদ্ধি পাওয়ায় আগাম বন্যার আশঙ্কা করছেন জেলার হাওর পাড়ের কৃষকসহ সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ। আগাম বন্যা দেখা দিলে বাঁধ উপচে ও ভেঙে ফসলহানির শঙ্কা প্রকাশ করছেন কৃষকরা।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিহার রঞ্জন দাস জানান, গতকাল বুধবার বিকাল পর্যন্ত সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানির পরিমাপ ৪.৯৫ ফুট। সাধারণত ৫.৪৭ ফুটে পানি উঠলে বিপদসীমা ধরা হয়। সেখানে বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে সুরমা নদীর পানি। এ স্তরে নদীর পানি অতিক্রম করলে হাওরের ডুবন্ত বাঁধগুলোর ভিত্তি দুর্বল হতে থাকবে এবং বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে দু’একদিনের মধ্যেই পানি বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাবে। এতে বড় ধরনের দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বাঁধ উপচে বা ভেঙে পানি হাওরে ঢুকে ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য অপেক্ষা না করে কৃষকদের দ্রুত ধানকাটার পরামর্শ দিয়েছেন পাউবো কর্তৃপক্ষ। এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলায় ৮০ ভাগ জমির ধানকাটা শেষ হওয়ার কথা জানালেও হাওর পাড়ের কৃষকরা বলছেন ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মাত্র ধানকাটা হয়েছে। তাই এই সময়ে হাওরে পানি ঢুকলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে।
এদিকে অস্বাভাবিকভাবে নদীর পানিবৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জেলার দেখার হাওর পাড়ের কৃষক রহিম আলী, খরচার হাওর পাড়ের কৃষক সুলেমান মিয়া, শনির হাওর পাড়ের কৃষক বারুল ইসলাম, মাটিয়ান হাওরের সেলিম আহমদসহ একাধিক কৃষক জানান, এখনো হাওরের অর্ধেক ধানকাটা বাকি রয়েছে। টানা বৃষ্টি আর বজ্রপাতের কারণে ধান কাটতে পারছেন না কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক স্বপন কুমার সাহা বলেন, হাওরে ৮০ ভাগ ধানকাটা শেষ। তবে কাটা ধান হাওরে পড়ে রয়েছে। যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে, এতে আগাম বন্যা দেখা দিতে পারে। তাই দ্রুত সময়ে ধানকাটার জন্য কৃষকদের তাগাদা দেওয়া হচ্ছে।
মজুর সংকটে ধানকাটা যাচ্ছে না কিশোরগঞ্জে:
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম পলাশ জানিয়েছেন, কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলের ৮টি উপজেলার মধ্যে বিশেষ করে ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও নিকলী উপজেলার হাওরে কৃষকের অর্ধেক জমিতে এখনো পাকা ধান পড়ে রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ায় ও চড়া দামেও মজুর সংকটে সময় মতো ধান কাটতে না পারায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এখানকার কৃষকরা। দুই মণ ধানের দামেও মিলছে না একজন মজুর। কয়েকজন কৃষক বলছেন, বজ্রপাতের মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় একরপ্রতি ১৬ থেকে ২০ হাজার টাকা মজুরি দিয়েও এলাকায় মজুর পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর চলতি সপ্তাহেই হাওর এলাকায় ভারী বর্ষণসহ আগাম বন্যার আশঙ্কা করছে। পাহাড়ি ঢল এসে ইতোমধ্যে ফসলরক্ষার কাঁচা বাঁধ কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছে। অনেক জায়গায় বাঁধ ভেঙে কিছু জমি তলিয়েও যেতে শুরু করেছে। আর দু’একদিন ভারী বর্ষণ হলে যে কোনো সময় সম্পূর্ণ বাঁধগুলো ভেঙে হাওরের সব জমির ধান তলিয়ে যেতে পারে। এ নিয়ে এলাকায় প্রতিদিনই প্রশাসনের পক্ষ থেকে মসজিদের মাইকে তাড়াতাড়ি জমির ধানকাটার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। কিন্তু বন্যার হাত থেকে ফসল রক্ষায় তাড়াতাড়ি ধানকাটার তাড়া থাকলেও মজুর সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে ধানকাটা।
ইটনার মৃগা ইউনিয়নের লাইমপাশা গ্রামের কৃষক কাজল মেম্বর, বৈরীবাড়ি ইউনিয়নের শিমুলকান্দী গ্রামের কৃষক জামাল মিয়া জানান, এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু শ্রমিক না থাকায় পাকা ধান মাঠেই নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া ভারী বর্ষণের কারণে আগাম বন্যার আশঙ্কার কারণেও তাই কৃষকের দুশ্চিন্তা কাটছে না।
আগাম বন্যার দুশ্চিন্তা শেরপুরের কৃষকদের:
শেরপুর প্রতিনিধি ইমরান হাসান রাব্বী জানান, গত বছরের বন্যার ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে তুলবেন- এমন স্বপ্ন দেখছিলেন শেরপুরের কৃষকরা। কিন্তু সে স্বপ্ন এখন দুশ্চিন্তা হয়ে দেখা দিয়েছে আবার। কয়েকদিনের বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ায় কৃষকদের আশঙ্কা বেড়ে গেছে। কেননা জমির পাকা ফসল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে ইতোমধ্যে। অনেক জায়গায় ভারী বৃষ্টি ও শিলার কারণে ব্যাপক ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ভারী বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে বন্যার আশঙ্কায় ঘুম হারাম হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। তারা জানিয়েছেন এখনো অর্ধেকের মতো পাকা ধান পড়ে আছে মাঠে। যদিও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, বৃষ্টি হয়েছে তবে ক্ষতির পরিমাণ খুব বেশি হবে না।\
কৃষকরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে না এলে অধিক বৃষ্টিতে পানি জমে যাবে ধানের ক্ষেতে। পাহাড়ি ঢলে নদীর পানিতে প্লাবিত হবে পাকা বোরো ক্ষেত। ফলে আশার তুলনায় অনেক কম ফলন হবে বলে মনে করছেন কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ বছর জেলায় ৯১,৬৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অনুকূল পরিবেশ থাকায় ৯২,৬১০ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার নিচু এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ ধানকাটা সম্পন্ন হয়েছে এবং বন্যা হলেও এর আগেই ফসল কেটে ঘরে তুলতে পারবেন বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আশরাফ উদ্দিন। বজ্রবৃষ্টি আর ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও লক্ষ্যপূরণের কথাই বলছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
বৃষ্টিতে ধানের ব্যাপক ক্ষতি জামালপুরে
জামালপুর প্রতিনিধি  জানিয়েছেন, জামালপুরে অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে ফসলের ক্ষতি হলেও জেলায় বন্যার তেমন কোনো পূর্বাভাস নেই বললেই চলে। জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নবকুমার বলেন, জামালপুরে বন্যার কোনো আভাস এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। নদীগুলো এখনো শুকনো রয়েছে। কাজেই বন্যা হওয়ার কোনোপ্রকার আশঙ্কা নেই। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলেও নদীতে পানি আশঙ্কা করার মতো বাড়েনি।
জামালপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, জামালপুর জেলায় অতিবৃষ্টির ফলে নিচু এলাকার অধিকাংশ ধানই তলিয়ে গেছে। তবে তার পরিমাণ বেশি নয়। কৃষকরা প্রায় ৫৫ ভাগ ধান কেটে নিয়েছেন। কিছু কিছু এলাকায় আবার ধান পাকতেও শুরু করেছে। সে ধানগুলো অতিবৃষ্টির ফলে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে নদীতে কিছুটা পানি বেড়েছে। তবে বন্যার তেমন কোনো আভাস এখনো পাওয়া যায়নি।

Developed by: