সর্বশেষ সংবাদ
ইকুয়েডরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত  » «   ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন হ্যাক করা অত্যন্ত সহজ!  » «   সারা’র রুপে মুগ্ধ সবাই  » «   আবারও সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধু কাপ  » «   সিলেটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি  » «   প্রতিদ্বন্দ্বি যখন যমজ বোন  » «   বিএনপি নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছে : কাদের  » «   পঁচাত্তরে যেমন ছিল বাংলাদেশ  » «   চঞ্চল চৌধুরীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন জয়া!  » «   ওসমানী বিমানবন্দরে নারীর জুতা ও পেটের ভেতর থেকে স্বর্ণের বার উদ্ধার  » «   প্রামাণ্যচিত্র ‘বঙ্গবন্ধু বাংলার ধ্রুবতারা’  » «   ভারতের সাবেক স্পিকার সোমনাথ আর নেই  » «   শহিদুলের চিকিৎসার আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ  » «   অদ্ভূত মিল!  » «   ‌’ঈদের পর পেঁয়াজের দাম কমবে’  » «  

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংবাদ সম্মেলন : সাত দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করলে ক্লাস বর্জন



030105Kalerkantho_18-04-19-48
প্রান্ত ডেস্ক :
কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করা চারটি মামলা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নূর এই দাবি জানিয়ে বলেছেন, সাত দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না হলে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করা হবে।
গতকাল (১৮ এপ্রিল বুধবার) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নূর এই ঘোষণা দেন। এ সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, ফারুক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নুরুল হক নূর বলেন, ‘আগামী সাত দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করা হবে। পাশাপাশি উপাচার্যের বাসায় যারা হামলা করেছে, সংবাদমাধ্যমের খবর, ছবি, ভিডিও এবং তথ্য নিয়ে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কিছু দুষ্কৃতকারীর বিচ্ছিন্ন ঘটনায় সাধারণ ও নিরীহ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে এই মামলার কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা হয়রানির আশঙ্কা করছেন। তাই মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানা রকম ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী এবং সক্রিয় ভূমিকা পালনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি।’
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে ওই আন্দোলনের মধ্যে ১১ এপ্রিল সারা দেশে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে রাস্তায় নামে। বিক্ষোভ আর সড়ক অবরোধে কার্যত অচল হয়ে যায় রাজধানীর রাজপথ। সেদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে এই আন্দোলন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোটা নিয়ে যেহেতু এত কিছু, সেহেতু কোনো কোটাই আর রাখা হবে না। পরদিন কয়েকটি দাবি রেখে আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের নেতা নূর বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছেন, অতি দ্রুত তার প্রজ্ঞাপন জারি করে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করছি আমরা।’

Developed by: