সর্বশেষ সংবাদ
ইলিয়াছ আলীর গাড়ি চালক আনসার আলীর মা-মেয়ে আজও অপেক্ষায়  » «   কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংবাদ সম্মেলন : সাত দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করলে ক্লাস বর্জন  » «   ‘করের আওতায় আনা হবে সিএনজি অটোরিকশা মালিকদের’  » «   দীর্ঘ ২৫টি বছর পর…  » «   অবশেষে আরব আমিরাতে খুলেছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার  » «   বালাগঞ্জে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেতু’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  » «   দক্ষিণ সুরমায় জোড়া খুনের মামলায় ৪৯ জন কারাগারে : ২ জনের জামিন  » «   প্রেমের টান বড় জোরদার : যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফরিদপুর  » «   অর্ধ মানুষরূপী এটা কি?  » «   ফের আলোচনায় ডিআইজি মিজান : সংবাদ পাঠিকাকে ৬৪ টুকরো করার হুমকি  » «   গোলাপগঞ্জে হামলার শিকার তরুণের মৃত্যু  » «   সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি বারবারা বুশ নেই  » «   ৪০ গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের টিকেট!  » «   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে পৌঁছেছেন  » «   চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক আজ  » «  

সবজির দাম স্বাভাবিক থাকলেও কমছে না নিত্যপণ্যের দর



bazar
স্টাফ রিপোর্টার
সিলেটের কাঁচাবাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় অধিকাংশ সবজির দাম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বেড়েছে চিনি, চাল ও মশুরের ডালের দাম। শনিবার নগরীর রিকাবীবাজার, কাজিবাজার, বন্দরবাজার, আম্বারখানা বাজার, মদিনা মার্কেট, শিবগঞ্জ এবং সোবহানীঘাটস্থ সিলেট ট্রেড সেন্টারের কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বেগুন বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ২০/৪০ টাকা, কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা,  পেঁপে ২০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, শিম ৩০ টাকা, দেশি টমেটো ১৫ টাকা, গাজর ২৫ টাকা, শসা ৪০ টাকা, খিরা ৩০ টাকা, মূলা ২০ টাকা, আলু ১৫ টাকা, প্রতি পিস বাঁধাকপি ১৫ থেকে ২০ টাকা, প্রতি পিস ফুলকপি ২০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পেঁয়াজ পাতা এক আঁটি ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এক আঁটি লাল শাক ১৫ টাকা ও ধনিয়াপাতা ৫০ টাকা, কাঁচকলা হালি ২০ টাকা, লাউ ২০ টাকা, কচুর ছড়া ৫০ টাকা, লেবু হালি ৩০ টাকা।
প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৪০ টাকা, দেশি মুরগি ২৪০ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি প্রতি পিস আকারভেদে ১৫০ থেকে ২২০ টাকা ও পাকিস্তানি মুরগি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া চিনি প্রতি কেজি ৫৮/৬০ টাকা, মঞুর ডাল প্রকার ভদে ৮০/ ১২৫ টাকা কেজি করে এবং চাল বিক্রি হচ্ছে সুপার মালা প্রকার ভেদে ৫৬ থেকে ৬০ টাকা দলে। ভাক্তারা বলছেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় বিক্রেতারা ইচ্ছে মাফক দামে পণ্য বিক্রি করছে আর ক্রেতারা বাধ্য হয়ে ক্রয় করছেন। এতে নিম্ন ও মধ্যআয়ের নাভিশ্বাস উঠছে।

Developed by: