সর্বশেষ সংবাদ
ইকুয়েডরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত  » «   ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন হ্যাক করা অত্যন্ত সহজ!  » «   সারা’র রুপে মুগ্ধ সবাই  » «   আবারও সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধু কাপ  » «   সিলেটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি  » «   প্রতিদ্বন্দ্বি যখন যমজ বোন  » «   বিএনপি নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছে : কাদের  » «   পঁচাত্তরে যেমন ছিল বাংলাদেশ  » «   চঞ্চল চৌধুরীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন জয়া!  » «   ওসমানী বিমানবন্দরে নারীর জুতা ও পেটের ভেতর থেকে স্বর্ণের বার উদ্ধার  » «   প্রামাণ্যচিত্র ‘বঙ্গবন্ধু বাংলার ধ্রুবতারা’  » «   ভারতের সাবেক স্পিকার সোমনাথ আর নেই  » «   শহিদুলের চিকিৎসার আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ  » «   অদ্ভূত মিল!  » «   ‌’ঈদের পর পেঁয়াজের দাম কমবে’  » «  

টাইগারদের লড়াকু আর তৃপ্তির এক জয়



54611
প্রান্ত ডেস্ক :
টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের ইতিহাসের রেকর্ড গড়া এক জয় পেলো বাংলাদেশ। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে নিদাহাস ট্রফির ম্যাচে ২১৫ রানের প্রায় অসম্ভব এক লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছে টাইগাররা। মুশফিকুর রহীমের অবিশ্বাস্য এক ইনিংসে ঘরের মাঠের শ্রীলঙ্কাকে ২ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কার করা ২১৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দাপুটে নৈপুণ্য দেখিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ঝড়ো ব্যাটিং করে উদ্বোধনী জুটিতেই জমা করেছিলেন ৭৪ রান। প্রথম ১০ ওভারের মধ্যে অবশ্য দুজনেই ফিরেছেন সাজঘরে। ষষ্ঠ ওভারে দলীয় ৭৪ রানের মাথায় বাংলাদেশ হারিয়েছিল প্রথম উইকেট। ১৯ বলে ৪৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ফিরেছিলেন লিটন। দশম ওভারে সাজঘরের পথে হেঁটেছেন তামিম। তিনি খেলেছেন ২৯ বলে ৪৭ রানের ইনিংস।
তৃতীয় উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে আরও খানিকটা এগিয়ে দিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম ও সৌম্য সরকার। ১৫তম ওভারে সৌম্য ফিরেছিলেন ২৪ রান করে। মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছে ২০ রান। আর ৩৫ বলে ৭২ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে গেছেন মুশফিক। শেষপর্যন্ত অপরাজিতই ছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক।
তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। উদ্বোধনী জুটিতে ৫৬ রান তোলেন গুনালিথাকা ও কুশাল মেন্ডিস। এরপর মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়ে যান গুনাথিলাকা। ১৯ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৬ রান করে যান তিনি। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৮৫ রান তোলেন কুশাল মেন্ডিস ও কুশাল পেরেরা। ১৪১ রানের মাথায় মেন্ডিস ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে আউট হন। ৩০ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় করে যান ৫২ রান।
এরপর মাহমুদউল্লাহ এক ওভারে জোড়া আঘাত করেন। শানাকাকে ০ রানে ও চান্দিমালকে ২ রানে ফেরান। এরপর উপল থারাঙ্গাকে নিয়ে দলীয় সংগ্রহকে ২০০ পার করেন পেরেরা। দলীয় ২০৫ রানের মাথায় মুস্তাফিজ ফেরান পেরেরাকে। ৪৮ বলে ৮টি চার ও ২ ছক্কায় ৭৪ রান করে যান তিনি। থারাঙ্গা শেষ পর্যন্ত অপাজিত থেকে ১৫ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৩২ রান করেন। তাতে ৬ উইকেট হারিয়ে ২১৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। বল হাতে বাংলাদেশের মুস্তাফিজ ৩টি, মাহমুদউল্লাহ ২টি ও তাসকিন আহমেদ ১টি উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ফল: পাঁচ উইকেটে জয়ী বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কা ইনিংস: ২১৪/৬ (২০ ওভার)
(দানুশকা গুনাথিলাকা ২৬, কুসল মেন্ডিস ৫৭, কুসল পেরেরা ৭৪, দাসুন শানাকা ০, দিনেশ চান্দিমাল ২, উপুল থারাঙ্গা ৩২*, থিসারা পেরেরা ০, জীভন মেন্ডিস ৬*; তাসকিন আহমেদ ১/৪০, মোস্তাফিজুর রহমান ৩/৪৮, রুবেল হোসেন ০/৪৫, মেহেদী হাসান মিরাজ ০/৩১, নাজমুল ইসলাম অপু ০/২০, সৌম্য সরকার০/১১, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২/১৫)।
বাংলাদেশ ইনিংস: ২১৫/৫ (১৮.৪ ওভার)
(তামিম ইকবাল ৪৭, লিটন দাস ৪৩, সৌম্য সরকার ২৪, মুশফিকুর রহিম ৭২, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২০, সাব্বির রহমান ০, মেহেদী হাসান মিরাজ; দুশমান্থ চামিরা ১/৪৪, আকিলা ধনঞ্জয়া ০/৩৬, নুয়ান প্রদীপ ২/৩৭, দানুশকা গুনাথিলাকা ০/২২, থিসারা পেরেরা, জীভন মেন্ডিস ০/২৫, দাসুন শানাকা ০/১২)।

Developed by: