সর্বশেষ সংবাদ
আশির দশকের মাঠ কাঁপানো ‘কালো চিতা’ আর নেই  » «   কলকাতায় ‘চালবাজ’ মুক্তি পেলেও বাংলাদেশে অনিশ্চয়তা  » «   বটগাছকে স্যালাইন পুশ!  » «   শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত আটক ১৫ জন  » «   দক্ষিণ সুরমায় ‘সুরমা ন্যাচারাল পার্ক’র উদ্বোধন হতে পারে জুলাইয়ে  » «   নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে আবারও বিমান দুর্ঘটনা  » «   ইলিয়াছ আলীর গাড়ি চালক আনসার আলীর মা-মেয়ে আজও অপেক্ষায়  » «   কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংবাদ সম্মেলন : সাত দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করলে ক্লাস বর্জন  » «   ‘করের আওতায় আনা হবে সিএনজি অটোরিকশা মালিকদের’  » «   দীর্ঘ ২৫টি বছর পর…  » «   অবশেষে আরব আমিরাতে খুলেছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার  » «   বালাগঞ্জে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেতু’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  » «   দক্ষিণ সুরমায় জোড়া খুনের মামলায় ৪৯ জন কারাগারে : ২ জনের জামিন  » «   প্রেমের টান বড় জোরদার : যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফরিদপুর  » «   অর্ধ মানুষরূপী এটা কি?  » «  

মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান



hasina-1প্রান্তডেস্ক:মিয়ানমার যাতে তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় সে ব্যাপারে চাপ অব্যাহত রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
ভ্যাটিক্যান সিটির সেক্রেটারি অব স্টেট কার্ডিনাল পিয়েট্রো প্যারোলিনের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমস্যার মূল রয়েছে মিয়ানমারে, এর সমাধানও বের করতে হবে মিয়ানমারকে।
বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক এবং ভ্যাটিক্যান সিটিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
শামীম আহসান জানান, মিয়ানমারের স্বদেশ ভূমি থেকে পালিয়ে আসা ১০ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী ভ্যাটিক্যান সিটির সেক্রেটারি অব স্টেটকে জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমান্তের ওপার থেকে সমস্যার সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এর সমাধানও রয়েছে সেখানে। তাই চুক্তি বাস্তবায়নও করতে হবে মিয়ানমারকে। কিন্তু এ ব্যাপারে আমরা এখনও মিয়ানমারের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাইনি।’
শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রোহিঙ্গারা যাতে তাদের স্বদেশ ভূমিতে ফিরে যেতে উৎসাহিত হয় মিয়ানমারকে সে ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এ দায়িত্ব মিয়ানমার সরকারকে নিতে হবে।
এ প্রসঙ্গে তিনি গত বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তার পেশ করা ৫ দফা প্রস্তাবের কথা আবারও উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার এখনও কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন করেনি।
ভ্যাটিক্যান সিটির সেক্রেটারি অব স্টেট সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের কঠোর লড়াইয়ের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মের নামে মানুষ হত্যা কোনো কারণেই উচিত নয়। তিনি অন্য দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে না দেয়ার তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজান হামলা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির বিষয় খুবই সচেতনতার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা কঠোর হাতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন করছি এবং দেশে জঙ্গিবাদের সকল আশ্রয়স্থল ভেঙে দিয়েছি।

Developed by: