সর্বশেষ সংবাদ
ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটি : ঘোষণা উপজেলার, বাতিল জেলার  » «   ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল কাদিরের মায়ের ইন্তেকাল  » «   রণবীর-দীপিকা বিয়ে নভেম্বরে?  » «   যাদুকর ম্যারাডোনার পায়ের অবস্থা করুণ  » «   একটু আগেবাগেই শীতের আগমণ  » «   চট্টগ্রামে আইয়ুব বাচ্চুর জানাযা বাদ আছর  » «   রাবণ পোড়ানো দর্শনকারী ভিড়ের উপর দিয়ে ছুটে গেলো ট্রেন : নিহত ৬০  » «   গোলাপঞ্জে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন উদ্বোধন করলেন শিক্ষামন্ত্রী  » «   বিসর্জনের দিন সিলেটে আসনে ‘দেবী’  » «   বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে মেয়র আরিফ  » «   সিলেটে স্বয়ংক্রিয় কৃষি-আবহাওয়া স্টেশন স্থাপিত  » «   শীতে ত্বক সজীব রাখতে শাক-সবজি খান  » «   সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সংস্কার হচ্ছে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে  » «   কোম্পানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযানে পেলোডার মেশিন জব্দ  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনে সরকারকে নোটিশ  » «  

শাহজালাল সার কারখানায় ফের উৎপাদন শুরু



31junপ্রান্ত ডেস্ক : পাঁচদিন বন্ধের পর আবারো উৎপাদনে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের শাহজালাল সার কারাখানা। রোববার রাত থেকে গ্যাস সংযোগ সচল হওয়ায় কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। পাঁচদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় কারখানা প্রায় ছয় কোটি টাকার ক্ষতি হয়।শাহজালাল সারকারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল হক বলেন, ১১ ফেব্রয়ারী রোববার সন্ধ্যায় কারখানায় গ্যাস সংযোগ পুনরায় দেওয়া হয়েছে। কারখানায় উৎপাদন কাজ শুরু হয়েছে।
এর আগে গত ৬ ফেব্রয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় উৎপাদন কাজ বন্ধ হয়ে যায়।সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর সেচ মৌসুমে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় এতে উৎপাদন বন্ধ থাকে। সরকারি নির্দেশনা আসলে আবারও গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়।সেচ মৌসুমে সরকারের বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। সেই চাহিদা পূরনের লক্ষেই এইরকম সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এটি প্রতিবছরই এক দুবার করা হয়ে থাকে।
দেশের বৃহত্তম সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ২০১২ সালের ২৪ জুন দেশের বৃহত্তম এই সার কারখানায় ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বছরের শুরুতে সার কারখানা নির্মাণের জন্য ১৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। চীন ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে সার কারখানাটি নির্মাণে এর আগে ঢাকায় একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫৪০৯ কোটি টাকা। তন্মধ্যে চীন সরকার ও চীনের এক্সিম ব্যাংক দেয় ৩৯৮৬ কোটি টাকা। বাকি টাকা বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেয়া হয়।

Developed by: