সর্বশেষ সংবাদ
ইলিয়াছ আলীর গাড়ি চালক আনসার আলীর মা-মেয়ে আজও অপেক্ষায়  » «   কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংবাদ সম্মেলন : সাত দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করলে ক্লাস বর্জন  » «   ‘করের আওতায় আনা হবে সিএনজি অটোরিকশা মালিকদের’  » «   দীর্ঘ ২৫টি বছর পর…  » «   অবশেষে আরব আমিরাতে খুলেছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার  » «   বালাগঞ্জে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেতু’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  » «   দক্ষিণ সুরমায় জোড়া খুনের মামলায় ৪৯ জন কারাগারে : ২ জনের জামিন  » «   প্রেমের টান বড় জোরদার : যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফরিদপুর  » «   অর্ধ মানুষরূপী এটা কি?  » «   ফের আলোচনায় ডিআইজি মিজান : সংবাদ পাঠিকাকে ৬৪ টুকরো করার হুমকি  » «   গোলাপগঞ্জে হামলার শিকার তরুণের মৃত্যু  » «   সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি বারবারা বুশ নেই  » «   ৪০ গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের টিকেট!  » «   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে পৌঁছেছেন  » «   চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক আজ  » «  

শাহজালাল সার কারখানায় ফের উৎপাদন শুরু



31junপ্রান্ত ডেস্ক : পাঁচদিন বন্ধের পর আবারো উৎপাদনে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের শাহজালাল সার কারাখানা। রোববার রাত থেকে গ্যাস সংযোগ সচল হওয়ায় কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। পাঁচদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় কারখানা প্রায় ছয় কোটি টাকার ক্ষতি হয়।শাহজালাল সারকারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল হক বলেন, ১১ ফেব্রয়ারী রোববার সন্ধ্যায় কারখানায় গ্যাস সংযোগ পুনরায় দেওয়া হয়েছে। কারখানায় উৎপাদন কাজ শুরু হয়েছে।
এর আগে গত ৬ ফেব্রয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় উৎপাদন কাজ বন্ধ হয়ে যায়।সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর সেচ মৌসুমে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় এতে উৎপাদন বন্ধ থাকে। সরকারি নির্দেশনা আসলে আবারও গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়।সেচ মৌসুমে সরকারের বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। সেই চাহিদা পূরনের লক্ষেই এইরকম সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এটি প্রতিবছরই এক দুবার করা হয়ে থাকে।
দেশের বৃহত্তম সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ২০১২ সালের ২৪ জুন দেশের বৃহত্তম এই সার কারখানায় ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বছরের শুরুতে সার কারখানা নির্মাণের জন্য ১৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। চীন ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে সার কারখানাটি নির্মাণে এর আগে ঢাকায় একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫৪০৯ কোটি টাকা। তন্মধ্যে চীন সরকার ও চীনের এক্সিম ব্যাংক দেয় ৩৯৮৬ কোটি টাকা। বাকি টাকা বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেয়া হয়।

Developed by: