সর্বশেষ সংবাদ
নিজের ছবির নায়িকা রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে মহেশ ভাটরিয়া চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ!  » «   এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ : ভিয়েতনামকে হারিয়ে গ্রুপসেরা বাংলাদেশের মেয়েরা  » «   বিসিবির প্রধান নির্বাচক নান্নুর বাসায় চুরি  » «   ঢাকায় সামার ওপেন ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার সুপার সিক্সটিন পর্ব : সিলেটী-সিলেটী লড়াই  » «   আটক চার ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর  » «   জগন্নাথপুরের রুহুল আমিন ইতালিতে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত  » «   জিয়াদের পরিবারকে খুঁজছে সিলেট কোতোয়ালি পুলিশ  » «   বন্য হাতির আক্রমণে কুলাউড়ার যুবদল নেতার মৃত্যু  » «   এ কী বললেন পপি!!!  » «   ওয়াকারের সর্বকালের সেরা একাদশে যারা  » «   যে পাঁচ উপায়ে ঠিকঠাক থাকবে আপনার কম্পিউটার  » «   শ্রীমঙ্গলে সড়কে গাছ ফেলে গণডাকাতি, হামলায় আহত ৩০ : ২০টি গাড়িতে লুটপাট  » «   দেড় লাখ ইভিএম মেশিন কেনার প্রকল্প অনুমোদন  » «   ‘মাসুদ রানা’র ‘সোহানা’ শারলিন  » «   মৌলভীবাজারে ‘সনাফ’র হরতালের ডাক : প্রতিহত করবে আ.লীগ  » «  

শাহজালাল সার কারখানায় ফের উৎপাদন শুরু



31junপ্রান্ত ডেস্ক : পাঁচদিন বন্ধের পর আবারো উৎপাদনে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের শাহজালাল সার কারাখানা। রোববার রাত থেকে গ্যাস সংযোগ সচল হওয়ায় কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। পাঁচদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় কারখানা প্রায় ছয় কোটি টাকার ক্ষতি হয়।শাহজালাল সারকারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল হক বলেন, ১১ ফেব্রয়ারী রোববার সন্ধ্যায় কারখানায় গ্যাস সংযোগ পুনরায় দেওয়া হয়েছে। কারখানায় উৎপাদন কাজ শুরু হয়েছে।
এর আগে গত ৬ ফেব্রয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় উৎপাদন কাজ বন্ধ হয়ে যায়।সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর সেচ মৌসুমে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় এতে উৎপাদন বন্ধ থাকে। সরকারি নির্দেশনা আসলে আবারও গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়।সেচ মৌসুমে সরকারের বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। সেই চাহিদা পূরনের লক্ষেই এইরকম সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এটি প্রতিবছরই এক দুবার করা হয়ে থাকে।
দেশের বৃহত্তম সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ২০১২ সালের ২৪ জুন দেশের বৃহত্তম এই সার কারখানায় ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বছরের শুরুতে সার কারখানা নির্মাণের জন্য ১৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। চীন ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে সার কারখানাটি নির্মাণে এর আগে ঢাকায় একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫৪০৯ কোটি টাকা। তন্মধ্যে চীন সরকার ও চীনের এক্সিম ব্যাংক দেয় ৩৯৮৬ কোটি টাকা। বাকি টাকা বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে দেয়া হয়।

Developed by: