সর্বশেষ সংবাদ
জিয়াদের পরিবারকে খুঁজছে সিলেট কোতোয়ালি পুলিশ  » «   বন্য হাতির আক্রমণে কুলাউড়ার যুবদল নেতার মৃত্যু  » «   এ কী বললেন পপি!!!  » «   ওয়াকারের সর্বকালের সেরা একাদশে যারা  » «   যে পাঁচ উপায়ে ঠিকঠাক থাকবে আপনার কম্পিউটার  » «   শ্রীমঙ্গলে সড়কে গাছ ফেলে গণডাকাতি, হামলায় আহত ৩০ : ২০টি গাড়িতে লুটপাট  » «   দেড় লাখ ইভিএম মেশিন কেনার প্রকল্প অনুমোদন  » «   ‘মাসুদ রানা’র ‘সোহানা’ শারলিন  » «   মৌলভীবাজারে ‘সনাফ’র হরতালের ডাক : প্রতিহত করবে আ.লীগ  » «   এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের কাছেও লজ্জা পেলো শ্রীলঙ্কা!, সুপার ফোরে বাংলাদেশ  » «   বাইতুল মুকাদ্দাস মুসলমানের ধর্মীয় উত্তরাধিকার  » «   হেতিমগঞ্জ-গোলাপগঞ্জ অটো টেম্পু-লেগুনা চালক শ্রমিক ইউনিয়ন শাখার নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ : জাকির সভাপতি ও ফখর সম্পাদক  » «   বিশ্বনাথে উপজেলায় ‌’সহকারী শিক্ষক’ পদে ভুয়া সনদে বহিরাগতদের পরীক্ষার অভিযোগ  » «   কাস্টিং কাউচ নিয়ে যা খুললেন সানি লিওন  » «   তামিম- তামিম- তামিম আর তামিম…  » «  

পাকিস্তানি মানবাধিকারকর্মী আসমা জাহাঙ্গীরের জীবনাবসান



31junপ্রান্তডস্ক:চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেল মানবতা ও ন্যায়ের পক্ষে সোচ্চার পাকিস্তানি নাগরিক আসমা জাহাঙ্গীরের কণ্ঠস্বর। পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রবিবার লাহোরে থেমে যায় তার প্রাণ-স্পন্দন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ভূমিকার কঠোর সমালোচক ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন তার বাবা গুলাম জিলানি। ২০১৩ সালে বাবাকে দেওয়া বাংলাদেশ সরকারের স্বীকৃতি গ্রহণ করতে বাংলাদেশে এসেছিলেন এই প্রতিবাদী নারী।
পাকিস্তানভিত্তিক মানবাধিকার আইনজীবী হিসেবে কাজ করতেন আসমা জাহাঙ্গীর। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রেসিডেন্টও ছিলেন তিনি। পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ক্যান্সারে ভুগছিলেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। হঠাৎ করেই বেশি অসুস্থ বোধ করার পর শনিবার রাতে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক পর্যায়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বিশ্বব্যাংক ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের হয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিচারিক সংস্কারের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন আসমা জাহাঙ্গীর। জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। পাকিস্তানের উইমেন একশন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও ছিলেন ৬৬ বছর বয়সী এই মানবাধিকারকর্মী।
আসমা জাহাঙ্গীরের বাবা সরকারি চাকরি জীবন শেষ করে যোগ দিয়েছিলেন রাজনীতিতে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর গণহত্যা চালানোর সমালোচনা করে জেলও খেটেছেন তিনি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এই অসামান্য ভূমিকার কারণে ২০১৩ সালে তাকে মৈত্রী সম্মাননা দেওয়া হয়। সেবার পাঁচ পাকিস্তানিকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। বাবার পক্ষ থেকে সেই পুরস্কার গ্রহণ করতে আসেন আসমা জাহাঙ্গীর।
মানবাধিকারকর্মী আসমার মরদেহ লাহোরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে তার শেষকৃত্যের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। বিদেশ থেকে তার সন্তানেরা দেশে ফিরে আসলে তাকে সমাহিত করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে।

Developed by: