সর্বশেষ সংবাদ
ইলিয়াছ আলীর গাড়ি চালক আনসার আলীর মা-মেয়ে আজও অপেক্ষায়  » «   কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংবাদ সম্মেলন : সাত দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করলে ক্লাস বর্জন  » «   ‘করের আওতায় আনা হবে সিএনজি অটোরিকশা মালিকদের’  » «   দীর্ঘ ২৫টি বছর পর…  » «   অবশেষে আরব আমিরাতে খুলেছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার  » «   বালাগঞ্জে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেতু’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  » «   দক্ষিণ সুরমায় জোড়া খুনের মামলায় ৪৯ জন কারাগারে : ২ জনের জামিন  » «   প্রেমের টান বড় জোরদার : যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফরিদপুর  » «   অর্ধ মানুষরূপী এটা কি?  » «   ফের আলোচনায় ডিআইজি মিজান : সংবাদ পাঠিকাকে ৬৪ টুকরো করার হুমকি  » «   গোলাপগঞ্জে হামলার শিকার তরুণের মৃত্যু  » «   সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি বারবারা বুশ নেই  » «   ৪০ গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের টিকেট!  » «   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে পৌঁছেছেন  » «   চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক আজ  » «  

প্রশ্ন ফাঁস ও নকল বন্ধ



শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের জন্য দায়ী। দুদক বলেছে, যেখানে প্রশ্ন ছাপা হয় সেখানকার কর্মচারীরা প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। দুটোই সত্যি। তবে কতিপয় দুর্নীতিবাজ শিক্ষক হতে পারে স্কুল–কলেজের অথবা কোনো কোচিং সেন্টারের কিংবা বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়ায় এবং প্রেসের দুর্নীতিবাজ কর্মচারী, অন্যদিকে নকলবাজ কিছু ছাত্র এবং অসাধু কতিপয় অভিভাবকও জড়িত। যেহেতু এদের সংখ্যা খুবই কম সেহেতু তাদের ধরে আইনের আওতায় আনা মোটেও কঠিন কাজ নয়।
নকল বন্ধে বহু নির্বাচনি প্রশ্ন বাতিল করা উচিত। উন্নত বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই এখন বহু নির্বাচনি প্রশ্নের প্রচলন নেই।
তাছাড়া সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের প্রত্যেক ‘ক’ নম্বর প্রশ্নই একটি বহু নির্বাচনি প্রশ্ন। কাজেই সৃজনশীল প্রশ্ন ১০০ নম্বরের হলে সেখানে তো ১০টি বহু নির্বাচনি প্রশ্ন থাকছেই। গণিতের বহু নির্বাচনি প্রশ্নের সঠিক উত্তর তৈরি করতে একজন দক্ষ গণিত শিক্ষকেরই প্রায় ১ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। সেখানে এত অল্প সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের সঠিক উত্তর বের করা খুবই দুরূহ ব্যাপার। পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রশ্ন নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কতিপয় দুর্নীতিবাজ শিক্ষক বহু নির্বাচনি প্রশ্নের সঠিক উত্তর বের করে এবং বিভিন্ন কৌশলে পরীক্ষার্থীদের মাঝে বিলি করে থাকে। যদিও সব উত্তর ঠিক হয় না।
প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের প্রভাব থেকেও পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখতে হবে। এই দুটো পদ্ধতি ঠিকভাবে পালন করা হলে নকল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস ৭০% হ্রাস পাবে। বিষয়টির প্রতি আমরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কৃর্তপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Developed by: